খোঁজ পাওয়া গেল টিক’টক ভিডিও করতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া টিকটক বৌদির

0
940

স্বামীকে বলে দুটি ভালো মোবাইল কেনেন প্রতিমা। সেই মোবাইলে শ্যুট করতেন ভিডিও। টিক’টক ভিডিও করে দিন দিন বাড়ছিল তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা। বাড়ছিল পরিচিতিও। এরই মধ্যে এক যুবকের সঙ্গে আলাপ হয় প্রতিমার। দিল্লিতে একটি ফ্যাশন শোয়ে প্রতিমাকে ডাকেন সেই যুবক। তাতে রাজিও হন ওই গৃহবধূ। গত ৩১ ডিসেম্বর চুঁচুড়ার ভগবতীডাঙার বাসিন্দা ওই গৃহবধূ দিল্লিতে সেই শোয়ে অংশ নিতেই রওনা দিয়েছিলেন। এরপরই তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

দশদিন তাঁর কোনও খোঁজ নেই। বন্ধ রয়েছে মোবাইল ফোন। দিশেহারা হয়ে শেষমেশ চুঁচুড়া থা’নায় একটি নি’খোঁজ ডা’য়েরি করেছেন স্বামী প্রসেনজিৎ মণ্ডল। ত’দন্ত শুরু হয়েছে, তবে এখনও ওই মহিলার খোঁজ মেলেনি।

স্থানীয়রা জানান, বছর কয়েক আগে চুঁচুড়ার বাসিন্দা প্রসেনজিৎ মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে হয় প্রতিমার। সংসারে অভাব না থাকলেও স্বচ্ছলতা দারুণ কিছু ছিল না। স্বামীর আয়ে সংসার চলত ঠিকই, কিন্তু প্রতিমা চাইছিলেন নিজেও একটা কিছু করতে। এমন সময়ই তাঁর নজরে আসে টিক’টক। এর আগেও ওই গৃহবধূ স্বেচ্ছায় চলে গিয়েছিলেন। তাই তাঁর এই নি’খোঁজ হওয়ার ঘটনা কতটা সত্যি, তা নিয়ে স্থানীয়দের মনেও সন্দেহ রয়েছে।

বছর দেড়েক আগে পুজোর সময় ওই গৃহবধূ পা’লিয়ে গিয়েছিলেন। খোঁজ পাওয়ার পর বাড়িতে ফিরে আসতে অস্বীকারও করেছিলেন ওই গৃহবধূ। পর ভদ্রেশ্বরের একটি পরিবার থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, মহিলা স্বেচ্ছায় শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে গিয়েছিলেন।

 

চুঁচুড়ার নি’খোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মিলল। জানা গিয়েছে, গৃহবধূ নিজেই তাঁর মাকে ভিডিও কল করে জানান যে, নিউ দিল্লিতে বান্ধবীর কাছে রয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন স্বামী এবং শ্বশুর বাড়ির অ’ত্যাচারেই তিনি ঘর ছেড়েছেন। নিখোঁজের খবর চাউর হতেই সোমবার ওই তরুণী নিজেই তাঁর মা রূপা মালাকারকে ভিডি‍ও কল করে বিস্তারিত জানিয়েছেন। এরপরই উঠে এসেছে চাঞ্চ’ল্যকর তথ্য।

জানা যায় শ্বশুরবাড়িতে তাঁকে মা’নসিক ও শা’রীরিকভাবে নির্যা’তন করা হত। ছোট মেয়ের কথা ভেবেই থানায় কোনও অ’ভিযোগ করেননি তিনি। টাকার অভাবে এই মুহূর্তে বাড়ি ফিরতে পারছেন না ওই তরুণী। যদিও সব অ’ভিযোগ অস্বীকার করে প্রসেনজিৎ মণ্ডলের দাবী, কোনও অ’ত্যাচার করা হয়নি ওই তরুণীর ওপর। বরং তার আরও অ’ভিযোগ স্ত্রীর বাপের বাড়ির সংসারও তাকেই চালাতে হত। এখন তাঁর পরিবারকে ব’দনাম করতে মিথ্যা অ’ভিযোগ করছে।