পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ হচ্ছে গুটখা এবং তামাকজাত পানমশলা

0
452

নাগরিকদের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রেখে বিশেষ উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। সমগ্র রাজ্য জুড়ে নিষিদ্ধ হয়ে চলেছে গুটখা-পানমশলা। আর কিছুদিনের মধ্যেই কার্যকর হচ্ছে এই নিয়ম। গুটখা বা বাজারে বহুল বিক্রি হওয়া পানমশলে যে যে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর তা সকলেরই জানা। গুটখার প্যাকেটের গায়েও লেখা থাকে সেই সতর্কবার্তা। ভয়ানক ছবিও দেওয়া থাকে। তবে সেসবে ভ্রুক্ষেপ করে না গুটখা প্রেমীরা। নির্দ্বিধায় চলে গুটখা সেবন।

গুটকা এবং তামাকজাত পানমশলা বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। ৭ই নভেম্বর থেকে আগামী এক বছরের জন্য রাজ্যে গুটকা এবং তামাকজাত পানমশলা মজুদ এবং বিক্রি বন্ধ হচ্ছে।

২৫ অক্টোবর এই নিয়ে নোটিস জারি করেছেন রাজ্যের খাদ্য সুরক্ষা কমিশনার তপনকান্তি রুদ্র। যে কোনও পন‍্য যাতে নিকোটিন আছে, তা তৈরি করা, মজুদ করা বা বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয় করা হল। যদিও এই নির্দেশিকায় সিগারেটের কোনও উল্লেখ নেই।

গুটকা এবং তামাকজাত পানমশলা- ঘরে ঘরে এই নেশার দ্রব্যটি ছড়িয়ে পড়েছে। জনগণের স্বাস্থ্যের পক্ষে যা ক্ষতিকারক। তাই এ রাজ্যে বিক্রি নিষিদ্ধ করা হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

কয়েকবছর আগে গুটকা এবং চিউইং টোবাকো কেনা-বেচার ওপর প্রথমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন খাদ্য সুরক্ষা কমিশনার। কিন্তু তাতে বাস্তবে কতটা কাজ হয়েছে! তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

এর আগেও এমন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। এবং তা হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই। একই কারণে ২০১৩ সালের মে মাসের প্রথম দিন থেকে রাজ্যে নিষিদ্ধ হয়েছিল গুটখা এবং পানমশলা।

সেক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর ছিল এক বছর সময় পর্যন্ত। ওই বছরের ২৩ এপ্রিল সেই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে। সেই সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিক ছিলেন দেবাশীষ বোস।