ভিডিও গেমস খেলার জন্য বিশ্বের ‘হটেস্ট ওয়েদার গার্ল’– এর সঙ্গে ব্রেকআপ করলেন এই যুবক

0
941

ভিডিও গেম খেলার প্রবল নেশা, সেটিকেই ভবিষ্যতে পেশা হিসেবে বেছে নিতে চেয়েছেন আমেরিকার যুবক মার্টিন ডগলাস । আর সেজন্য নিজের সুন্দরী বান্ধবী ইয়ানেত গার্সিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করতেও পিছপা হলেন না তিনি ।

মেক্সিকোর বাসিন্দা ইয়ানেত আবার পেশায় একজন সুপারমডেল এবং টিভি সঞ্চালক । তিনি আবার বিশ্বের ‘হটেস্ট ওয়েদার গার্ল’ শিরোপাও জিতেছেন । কেবল মাত্র ভিডিও গেম খেলার জন্য কেউ যে এভাবে সম্পর্ক ভাঙতে পারে, সেই খবরে হতবাক হয়েছেন নেটদুনিয়া প্রায় সবাই ।

এদিকে, নিজেদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে বিচ্ছেদের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ইয়ানেত এবং মার্টিন ডগলাস । কিন্তু কেন এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন ডগলাস ?

ডগলাস জানিয়েছেন, দু’জনের মধ্যে দীর্ঘদিন সম্পর্ক ছিল । তখন মেক্সিকোয় থাকতেন ইয়ানেত, আর ডগলাসের ঠিকানা ছিল নিউইয়র্ক । সেখান থেকেই ইয়ানেতের সঙ্গে দেখা করতে ছুটে যেতেন ডগলাস । এরপর দু’জনেই একসঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নেন এবং ইয়ানেত প্রেমিকের হাত ধরে নিউইয়র্কে চলে আসেন । এরপর সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল ।

কিন্তু তিন বছর আগে হঠাৎ করেই কেরিয়ার নিয়ে সচেতন হয়ে পড়েন ইয়ানেত । ঠিক করেন পেশায় সুপারমডেল হবেন এবং সিনেমাতেও অভিনয়ে নামবেন । প্রেমিকার ইচ্ছেতে না করেননি ডগলাস । এরপর মেক্সিকো ফেরত চলে যান ইয়ানেত । বিগত তিন বছর ধরে দু’জনে দু’দেশে থাকলেও সম্পর্ক ভাঙতে দেননি ।

কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে ডগলাস বুঝতে পারেন, কোথাও একটা খামতি রয়েছে । এরপর দু’জনেই সিদ্ধান্ত নেন, পেশার খাতিরে এই সম্পর্ক আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে না। আর তাই বিচ্ছেদ ।

পেশায় ভিডিও গেমার ডগলাস এরপর নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে পোস্ট করে বিচ্ছেদের খবরটি জানান । পাশাপাশি লেখেন, ‘এবার থেকে তিনি আরও বেশি করে গেম খেলতে পারবেন ।’ একইভাবে পেশায় সুপারমডেল ইয়ানেতও খবরটির সত্যতা স্বীকার করে নেন ।

দেখুন ইয়ানেত এর ওয়েদার রিপোর্ট নিউজ ভিডিও –