দাদু-দিদার হাত ধরে কলকাতার পুজোদর্শন ও প্রেমের সেলফি এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

0
97

একটা সময়ের জনপ্রিয় গান ছিল, ‘যব তুম হোঙ্গে ষাট সালকে আর ম্যায় হুঙ্গি পঁচপন কি, বলো প্রীত নিভায়ো গে কে তব ভি আপনি বচপন কি।’ আর এই গানকে আরও শাশ্বত করে দিল এই ছবি। ইতিমধ্যেই এই ছবি ভাইরাল সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি শেয়ার হয়ে গেছে। দুর্গাপুজো বাঙালির প্রাণের উৎসব। আট থেকে আশি সবাই মাতেন পুজোর মেজাজে। বয়স তো ছুতো, বাঙালিয়ানার সঙ্গে মা দুর্গার সম্পর্ক যে নিবিড়।

সোশ্যাল মিডিয়া এখন সমাজের আয়না। তরুণ প্রজন্ম জাস্ট বুঁদ হয়ে থাকে মোবাইলে ,ল্যাপটপে। সিনিয়ররা এখনও অবধি খুব বেশি এইসব নিয়ে কাজকর্ম করেন বলে জানা যেত না। বরং তাঁরা এইসব সোশ্যাল মিডিয়া, সেলফি সবকিছুকেই ঢঙ বলেন। বলেন আমাদের সময় এসব তো কিছু ছিল না , তাতেও বাপু কিছু কম হয়নি।

ভালবাসার কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই। কোনও বাধা মানে না। এগুলি শুধু যে কথার কথা নয়, সেটাই প্রমাণিত হল আবারও, বাঙালির সেরা উৎসব দুর্গাপুজাকে কেন্দ্র করে। পুজোর মরসুমে উত্তর কলকাতার রাস্তায় দেখা গেল হাতে হাত রেখে হাঁটা দম্পতি। শুনেই হয়তো ভাবছেন, এই প্রজন্মের কাহিনি। কিন্তু এই যুগল প্রবীণ। আসলে বয়স তাঁদের কাছে শুধু একটা সংখ্যামাত্র। তাই বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সেলফি তোলাতেও মাতল তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি এখনও ভাইরাল।

এবারের দুর্গাপুজো দেখল অন্যরকমের ছবি। বৃদ্ধ দম্পতি হাজির হয়েছিলেন বাগবাজার সার্বজনীনের পুজো দেখতে। সেখানেই দেখা যায় সেলফি তুলতে ব্যস্ত দাদু-দিদিমা। তাঁদের মেয়ে বিদেশে থাকেন। তাই এই বৃদ্ধ বয়সে তাঁরা দু‘জনেই দু‘জনের সঙ্গী। আর দাদু -দিদিমার প্রেম ধরে রাখার অম্লান মুহূর্ত তুলে রাখেন ইয়ং জেনারেশন। আর এই প্রেমের ছবি এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ‘চিরসবুজ’ যুগলের ছবি প্রকাশ্যে আসতে নিমেষেই তা ভাইরাল হয়েছে। বার্ধক্যে এসেও যে কীভাবে সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখতে হয়, কীভাবে ভাগ করে নিতে হয় অনুভূতিকে, তার নজির এই যুগল। কেউ কেউ তাই বলছেন, ‘ভালোবাসার জন্য বয়স লাগে না। শুধু দুটো মন। যারা পরস্পরকে ভালো রাখতে চায়, ভালো দেখতে চায়। আর কী চাই? এভাবেই বেঁচে থাকুক ‘চিরসবুজ যুগল’। তাঁদের শুভেচ্ছা কামনা করে নেটদুনিয়ায় লিখেছেন, ‘ভালো থাকুন আপনারা। আরও অনেক পুজো এমন করেই একসাথে উপভোগ করুন।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here