হোয়াটস্‌অ্যাপের কারণে বিয়ে ভাঙল তরুণীর! সম্পূর্ণ কারণ জানলে অবাক হবেন

0
875

বর্তমান যুগের যুবসমাজ থেকে শুরু করে বয়স্করাও সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত। একদিন ফেসবুক আর হোয়াটস্‌অ্যাপ না খুললে সারা দিনটাই কেমন যেন ফ্যাকাসে হয়ে যায়। ব্যস্ততার যুগেও মানুষ সারাদিনে বার কয়েক ফেসবুক আর হোয়াটস্‌অ্যাপ চেক করতে ভোলেন না। কিন্তু এই হোয়াটস্‌অ্যাপই কাল হল এক তরুণীর কাছে। আপনি কি কখনও ভেবেছেন যে হোয়াটস্‌অ্যাপের অতিরিক্ত ব্যবহার, শেষ মূহুর্তে একটি বিয়ে বাতিলের কারণ হতে পারে! পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশের আমরোহা জেলার এক পাত্রপক্ষের পরিবার শেষ মূহুর্তে বিয়ে বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন কারণ কনে অতিরিক্ত পরিমাণে হোয়াটস্‌অ্যাপ ব্যবহার করে। আসুন জেনে নেওয়া যাক আসলে কি ঘটনা ঘটেছিল বিয়ের দিন, যে কারণে বিয়ে বাতিল হল।

Gifer

সর্বভারতীয় দৈনিক হিন্দুস্থান টাইমস -এর রিপোর্ট অনুযায়ী কনের পরিবার রীতিমত স্তম্ভিত হয়ে যান, যখন বরের পরিবারের তরফ থেকে তাদের ফোন করে জানানো হয় যে, বিয়ে বাতিল করা হয়েছে কারণ আপনাদের মেয়ে অনেক বেশি হোয়াটস্‌অ্যাপ ব্যবহার করে। এমনকি বিয়ের লগ্নের কিছু সময় আগেও পাত্রী, পাত্রপক্ষের পরিবারের সদস্যদের সাথে চ্যাট করছিল।

বিয়ের সমস্ত আয়োজন করে পাত্রীপক্ষ নওগায়ান সাদাত গ্রামে পাত্র এবং পাত্রপক্ষের অপেক্ষায় ছিল। এরপরই তারা বিয়ে ভাঙার জন্য ফোন পান পাত্রপক্ষের তরফ থেকে। কিন্তু পাত্রীপক্ষ যখন পাত্রপক্ষের বিয়ে ভাঙার কারণের কথা শোনেন তখন তারা সকলেই তাজ্জব বনে যান।

প্রতীকি ছবি

যদিও কনের পরিবার দাবিকে নস্যাৎ করে পাত্রপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন যে, বিয়ে বাতিলের প্রধান কারণ হল যৌতুক। পাত্রীর পরিবার জানায় যে, পাত্রপক্ষ শেষ মূহুর্তেও পণের জন্য দাবি জানাতে থাকে।

প্রতীকি ছবি

পুলিশ তাদের রিপোর্টে জানায়, পাত্রীর বাবা উরজ মেহান্দি পাত্রপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন পাত্রপক্ষের তরফ থেকে বারবার পণ চাওয়ার ব্যাপারে। পাত্রীর বাবা অভিযোগ করেন যে পাত্রপক্ষ পণ বাবদ তাদের থেকে ৬৫ লাখ টাকা দাবি করেছিল।

tumbler

হোয়াটস্‌অ্যাপ আর ফেসবুক তো প্রায় সকলেই ব্যবহার করে থাকেন কিন্তু এদের অতিরিক্ত ব্যবহার যে বিয়ে ভাঙার কারণ হবে সেটা হয়তো কেউ স্বপ্নেও ভাবতে পারেননা। তাই এখন ভাববার বিষয় যে, হোয়াটস্‌অ্যাপ আর ফেসবুকও বুঝে শুনে ব্যবহার করতে হবে।