ভারতের সবচেয়ে বড় ১০টি রে’ড লাইট এলাকা

0
3243

পতি’তাবৃত্তি সারা বিশ্বের একটি অন্যতম পুরনো পেশা। প্র’স্টিটিউশন বা পতি’তাবৃত্তির কথা শুনলেই আমাদের দেশের মানুষের মনে এক খারাপ প্রভাব ফেলে। কারণ এই ব্যাপারটির সাথে সরাসরি জড়িয়ে রয়েছে একজন মেয়ের সম্মান। কিন্তু পতি’তাবৃত্তি যেকোনো দেশের একটি বড় সমস্যা, একথা কোনো দেশই অস্বীকার করতে পারে না। আমাদের দেশেও একাধিক জায়গা রয়েছে যেখানে এই কাজ এবং সেই সমস্ত জায়গাকেই রে’ড লাইট এরিয়া বা রে’ড লাইট স্ট্রী’ট বা রে’ড লাইট ডিস্ট্রিক্টও বলা হয়। এই কাজ বেশিরভাগ মেয়েকেই করতে বাধ্য করা হয় বা কেউ কেউ বেঁচে থাকার তাগিদে করেন। আজ আপনাদের সামনে এরকমই কু’খ্যাত দশটি নি’ষিদ্ধ এলাকার কথা বলব যেগুলি আমাদের দেশের বিভিন্ন বড় শহরে রয়েছে।

১. মীরাগঞ্জ, এলাহাবাদ

উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদে রয়েছে এই রে’ড লাইট এলাকা মীরাগঞ্জ। যৌ’ন আনন্দের জন্য এখানে অত্যন্ত সুন্দরী প’তিতা পাওয়া যায়। কিন্তু এই মীরাগঞ্জ জোরপূর্বক পতি’তাবৃত্তি এবং অ’বৈধ পাচা’রের জন্য দৃশ্যত বিখ্যাত। এখানে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং নেপাল ও বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশ থেকেও প’তিতা রয়েছে। এটি এখানকার আগতদের কাছে নরক।

২. চতুর্ভুজস্থান, মুজাফফরপুর

এটি একটি মুঘল টাইপের রে’ড লাইট এরিয়া। এলাকাটি মুঘলদের দ্বারা শুরু হয় এবং এটি ২৫০০ জন যৌ’নকর্মীর একটি বাসস্থান। এখানকার প্রতিটি পতি’তালয়ে একজন ম্যাডাম বা মাসি থাকে যে ওই নির্দিষ্ট পতি’তালয়ের সর্বময় কর্ত্রী।

৩. শিবদাসপুর, বারাণসী

বারাণসী স্টেশন থেকে দশ মিনিটের পথ শিবদাসপুর উওরপ্রদেশের পূর্বদিকে অবস্থিত। এটা একটা যথেষ্ঠ ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা। এটিও একটি মুঘল আমলের নি’ষিদ্ধ এলাকা, অনেক আগে এটি শুরু হয়েছিল। এখানে খুব বড় আকারের কোনো পতি’তালয় নেই কিন্তু ছোটো বড় অনেক ঘর রয়েছে যেখানে চলে পতি’তাবৃত্তির কাজ।

৪. ইটওয়ারি, নাগপুর

গঙ্গা-যমুনার সংযোগস্থলে অবস্থিত এই স্থানটি। এখানে অনেক যুবতী মেয়ে পতি’তাবৃত্তির কাজ করে থাকেন। এখানে শুধুমাত্র অ’বৈধ পতি’তাবৃত্তিই চলে না, সাথে আরও অন্যান্য দু’ষ্কর্ম চলে এবং স্মা’গলিং-এর বিসনেসও চলে।

৫. বুধওয়ার পেঠ, পুণে

পাঁচ হাজারের বেশি যৌ’নকর্মী রয়েছে এই অঞ্চলে এবং একাধিক পতি’তালয় রয়েছে। অনেক লোক এখানে যান এখানকার আকর্ষণে। এছাড়াও এই এলাকাটি ইলেকট্রনিক্স দ্রব্যাদির বাজার এবং অজস্র বইয়ের দোকানের জন্য বিখ্যাত।

৬. কামাথিপুরা, মুম্বাই

কামাথিপুরা জায়গাটি তার নামের জন্য এখন বেশি পরিচিত নয়। এখানকার প্রধান আকর্ষণ হল, এখানকার পতি’তালয় গুলি এবং এই জায়গাটিকে এখন মুম্বাইয়ের রে’ড স্ট্রিট বলা হয়। এটি এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম রে’ড লা’ইট এরিয়া। এই এলাকায় অপরাধের সংখ্যাও অত্যন্ত ক্রমবর্ধমান।

৭. জিবি রোড, দিল্লী

জি.বি. রোড বা গার্সটিন বাস্তিয়ন রোড দিল্লীর একটি অত্যন্ত জনবহুল জায়গা এবং এখানে রয়েছে একাধিক দোকান। এখানে রাস্তার দুপাশে অনেক পুরনো উঁচু উঁচু বিল্ডিং দেখতে পাওয়া যায়। যেগুলির নিচে থাকে দোকান এবং উপরের পুরো অংশ জুড়েই চলে পতি’তাবৃত্তির কাজ। এখানে গোটা দেশের মেয়েদের এনে বিক্রি করা অন্যতম বড় ব্যবসা।

৮. মুভাত্তুপুলা, কেরালা

এটি দেশের অন্যতম আধুনিক পতি’তালয়। এখানে কাস্টমাররা অনলাইনে বুকিং করে আসতে পারেন আনন্দ করার জন্য, তাছাড়াও এখানে ফোনে বুকিং-এর সুবিধাও রয়েছে বিভিন্ন এজেন্ট মারফৎ। এই এলাকায় যৌ’নকর্মীরা প্রধানত কেরলের মেয়ে এবং শ্রীলঙ্কারও কিছু মেয়ে রয়েছে এখানে।

৯. রে’ড লাইট জেলা, জম্মু

জম্মুতে রয়েছে রে’ড লা’ইট ডিস্ট্রিক্ট। যদিও জম্মু বিখ্যাত এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের জন্য। কিন্তু অনেক পুতুলের মত সুন্দরী মেয়েরা রয়েছে এখানে যারা যৌ’নকর্মীর কাজ করে। এখানকার বেশিরভাগ মেয়েকেই জোর করে করানো হয় এই কাজ।

১০. সোনাগাছি, কলকাতা

via

সবশেষে আসা যাক এশিয়ার সবচেয়ে বড়, কু’খ্যাত পতি’তালয় কলকাতার সোনাগাছির কথায়। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, এখানকার পতিতালয় নির্মাণ করেন ব্রিটিশরা তাদের সেনাবাহিনীর জন্য কারণ তাদের স্ত্রীরা তখন ইংল্যান্ডে থাকত। বর্তমানে প্রায় ১১ হাজারের বেশি যৌ’নকর্মী রয়েছে এখানে। বলা হয় যে, ইংরেজরা জো’রপূর্বক বিধবা মহিলাদের নিয়ে আসত এখানে। এখানে একাধিক ছোটো বড় বিল্ডিং রয়েছে যেখানে চলে এই কাজ।