দীর্ঘদিন লকডাউনে থেকে ব’ন্দিদশা উপলব্দি করতে পেরে খাঁচার সমস্ত পাখি উড়িয়ে দিলেন যুবক

0
916

করো’না সংক্র’মণ রোধে দেশ জুড়ে লকডাউন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ এখন গৃহবন্দি। কিন্তু খাঁচার পাখিদের আর কী লকডাউন। তারা এমনিই সারাজীবন বন্দি। তাই কিছু খাঁচার পাখিদের খোলা আকাশে উড়িয়ে দিল এক যুবক। কুলটি অঞ্চলের বাসিন্দা সুপ্রিয় কর্মকার তার নিজের উদ্যোগে আসানসোলের শতাব্দি শিশু উদ্যান সংলগ্ন এলাকায় উপস্থিত হয়ে পাখি ওয়ালাদের কাছ থেকে একগুচ্ছ পাখি কিনে আকাশে উড়িয়ে দেন।

তাতে খুশিই হন পাখি বিক্রেতা। তাঁকে অবাক করে একঝাঁক বদ্রিকা আকাশে উড়িয়ে দেন ক্রেতা। লকডাউনের ব’ন্দিদশা উপলব্ধি করে এমনটাই করলেন কুলটির সমাজকর্মী সুপ্রিয় কর্মকার। খাঁচার পাখিদের মুক্ত আকাশে উড়িয়ে দিলেন আজাদির স্বাদ।

করো’না সংক্র’মণ রোধে দেশজুড়ে লকডাউনে সাধারণ মানুষ গৃহবন্দি। বন্দিত্বের যন্ত্রণা কত সেটা বুঝেছেন সমাজকর্মী সুপ্রিয়। একটি বেসরকারি হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মীর কাজ করেন। কিছুদিন আগে আসানসোলের শতাব্দী শিশু উদ্যান সংলগ্ন এলাকায় আসেন তিনি। পাখি বিক্রেতার কাছ থেকে একগুচ্ছ রঙিন বদ্রিকা পাখি কিনে নেন। পার্কে লোকজন আসছে না, বিক্রিবাটা নেই। প্রায় সব পাখি বিক্রি হওয়ায় খুশি হন বিক্রেতা।

সূত্র

ঐ যুবক বলেন লকডাউন পরিস্থিতিতে গৃহবন্দি থেকে ব’ন্দি জীবনের ক’ষ্ট হাড়েহাড়ে অনুভব করছি। বুঝতে পারছি কী ক’ষ্টে দিন কাটায় খাঁচায় বদ্ধ পশু পাখিরা। তাই প্রকৃতির কোলে থাকা পাখিদের প্রকৃতির কোলে ফিরিয়ে তাদের মুক্তির স্বাদ দিতে ইচ্ছে করলো। প্রায় ২ হাজার টাকা খরচ করে ১৫টি পাখি কিনেছিলেন তিনি। ছাড়া পেয়ে ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে বদ্রিকার ঝাঁক মিলিয়ে যায় আকাশে। এতেই খুব খুশি যুবক। তিনি বলেন পকেট আর টাকা ছিল না। থাকলে সব ক’টাকেই খাঁচা থেকে মুক্ত করে দিতাম।

কিছুদিন আগে নিজের ওজনের দ্বিগুণ ওজনের একটা হস্তিশাবককে ঘাড়ে করে নিয়ে গিয়ে তার মায়র সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছিলেন এক বনকর্মী। পালানিচামি শরৎকুমার নামে ওই বনরক্ষীর অভাবনীয় কাজের প্রশংসায়  পঞ্চমুখ নেটিজেন এবং পরিবেশপ্রমীরা। জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় একটা হস্তিনী রাস্তা আটকে দাঁড়িয়ে আছে। তাঁরা গিয়ে পটকা ফাটিয়ে এবং আওয়াজ করে  হস্তিনীকে সরিয়ে দেন। এরপর সেখানে আরও হাতি আছে কিনা খুঁজে দেখতে গিয়ে একটা ডোবার ভিতর ওই হস্তিশাবককে পড়ে থাকতে দেখেন। শরৎকুমার একাই প্রায় ১০০ কেজি ওজনের ওই হস্তিশাবককে নিজের ঘাড়ে করে প্রায় ৫০ মিটার দূরে তার মা এবং অন্য হাতির দল যেখানে ছিল তার কাছাকাছি রেখে আসেন।

সূত্র –