এই ব্যক্তিদের সৌভাগ্য আপনাকে নিশ্চিত ঈর্ষাকাতর করবে

0
1171

কিছু কিছু মানুষ সৌভাগ্য নিয়ে জন্মায়। যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ আমাদের আজকের এই ব্যক্তিরা। ভুল করে ভুল জিনিস হাতে পেয়ে একদম আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে গেছে এই ব্যক্তিদের। তাদের করা কিছু ভুল বা সৌভাগ্যবান আবিষ্কার রাতারাতি তাদের কোটিপতি বানিয়ে দিয়েছে।

আজ আপনাদের শোনাবো কিছু সৌভাগ্যবান মানুষের গল্প যারা ঘটনাক্রমে অতি দুর্লভ ও মূল্যবান বস্তু আবিস্কার করে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন।

১। রয়্যাল ওয়ান

অস্ট্রেলিয়ার একজন সৌভাগ্যবান খনি শ্রমিক একদিন এমনি পাথর আহরণের সময় তার ঝুড়িতে চকমকে একটা বড় পাথর খুঁজে পায়। সে পাথরটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে সাজিয়ে রেখে দেয়। দীর্ঘ ১৪ বছর পর এক জহুরী পাথরটি দেখে বলে এটা বহু মূল্যবান দুর্লভ ব্ল্যাক ওপাল পাথর, যার বর্তমান বাজার দর ৩ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় ২৫ কোটি টাকা। এই বহু মূল্যবান পাথরটির নাম দেয়া হয় ‘রয়্যাল ওয়ান’।

২। তিমি মাছের বমি

ইংল্যান্ডের চার্লি নায়াস্মিথ নামে ৮ বছরের এক বাচ্চা একদিন সমুদ্র সৈকতে খুবই অদ্ভুত একটা পাথর দেখতে পায়। সে পাথরটি নিয়ে বাড়িতে আসে। তার বাবা গুগল করে জানতে পারে ওই অদ্ভুত পাথর সদৃশ বস্তুটার নাম অ্যাম্বারগ্রিস বা তিমি মাছের বমি যার মূল্য ৬৩ হাজার ডলার অর্থাৎ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। সুগন্ধি শিল্পে এই বস্তু কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাই এর এতো চড়া দাম।

৩। মুদ্রার দেয়াল

পেনসিলভানিয়ার এক পুরনো বাড়িতে বাচ্চারা খেলার সময় কিছু পুরনো মুদ্রা পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পায়। তাদের বাবা মাকে জানালে তারা বাড়ির ওই দেয়ালটি ভাঙা শুরু করে। এবং হঠাৎ করে যেন মুদ্রার বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। তারা সেখান থেকে সাড়ে আট হাজার ডলার মানের মুদ্রা ও কিছু দুর্লভ পুরনো মুদ্রা খুঁজে পায়। যার বর্তমান বাজার দর ২ লক্ষ ডলার অর্থাৎ প্রায় ১ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা।

৪। সোনার টুকরো

একদিন অস্ট্রেলিয়ার এক স্থানীয় কৃষক মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে এমনি নিজের জমি পরীক্ষা করছিল। এক সময় তার ডিটেক্টরে জোরে জোরে শব্দ হতে শুরু করে। সে ওই জায়গা খুঁড়তে শুরু করে। প্রথমে কিছু ছোট ছোট সোনার দানা উঠে আসে। পরবর্তীতে একটা প্রমাণ সাইজের সোনার টুকরা বেরিয়ে আসে যার ওজন প্রায় সাড়ে পাঁচ কেজি। এই পরিমাণ সোনার মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ ডলার বা আড়াই কোটি টাকা।

৫। হক্সনি হোয়ার্ড

এক ব্রিটিশ কৃষক তার হারিয়ে ফেলা হাতুড়ি খোঁজার জন্য তার এক বন্ধুকে ডাকে। তার ওই বন্ধুর মেটাল ডিটেক্টর ছিল। কিন্তু তারা হাতুড়ী খুঁজতে গিয়ে একটা পুরনো কাঠের বাক্স খুঁজে পায়। ওই বাক্সে প্রায় ১৫ মিলিয়ন মূল্যমানের স্বর্ণালংকার ও মুদ্রা ছিল। এর নাম দেয়া হয় হক্সনি হোয়ার্ড। এটি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে প্রদর্শনের জন্য রাখা হয় এবং ওই কৃষককে প্রায় আড়াই মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ১৬ কোটি টাকা পুরুস্কার হিসেবে দেওয়া হয়।

বোনাস – চিলি ও পেরুর সমুদ্র সৈকতে এই অদ্ভুত বস্তুটি পাওয়া যায়। যা অত্যন্ত চড়া দামে চিলি ও পেরু রেস্টুরেন্টে বিক্রি হয়। এটা দিয়ে খুব সুস্বাদু খাবার তৈরি করা হয়। তাই এর দাম আকাশ ছোঁয়া। তাই এরপর সমুদ্র সৈকতে হাঁটার সময় সতর্ক থাকবেন। পেলেও পেয়ে যেতে পারেন অমূল্য ধন।