লকডাউনে নিজেকে এবং স্বামীকে ঘরে আটকে রাখতে পারলেই পুজোতে পাবেন নতুন শাড়ী – অভিনব উদ‍্যোগ এই গ্রামে

0
506
প্রতীকী ছবি

গোটা দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। করোনা রুখতে এর বাইরে কোনও উপায় ছিল না। কিন্তু করোনার প্রকোপ এখনও বহু মানুষের ধারণার বাইরে। কখনও কড়া ভাবে, কখনও আবার বুঝিয়ে লকডাউনে সকলকে ঘরে থাকার আবেদন করেছে পুলিশ-প্রশাসন। এবার বনগাঁর আদিবাসী অধুষ্যিত মুড়িঘাটার বাসিন্দাদের ঘরবন্দি রাখতে অন্য ফন্দি করলেন উত্তর ২৪ পরগনার আরটিও বোর্ডের সদস্য গোপাল শেঠ। ঘোষণা করলেন, গ্রামে করোনা প্রবেশ করতে না পারলে সব মহিলা পাবেন নতুন শাড়ি।

বহাল তবিয়তেই তাঁরা ভিড় জমাচ্ছেন হাটে-বাজারে। আর এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণের আশঙ্কাও বেড়ে যাচ্ছে বহুগুণ। সরকারের অনুরোধ নির্দেশিকাও কাজে আসছে না অনেক সময়ই।

প্রতীকী ছবি

আসলে বনগাঁর আদিবাসী অধুষ্যিত মুড়িঘাটার বাসিন্দারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরা জানেন না এই মারণ ভাইরাসের ক্ষমতা আসলে কতটা। প্রতিদিনই কিছু মানুষ রাস্তায় বের হচ্ছে। কেউ প্রতিদিনের অভ্যাসবশত ঢুঁ মারছেন চায়ের দোকানে। কেউ আবার লকডাউনকে ছুটি হিসেবে গণ্য করে হাজির হচ্ছেন বন্ধুদের মাঝে। আর কিছু মানুষ যাদের বের হতে হচ্ছে পেটের দায়ে। আদিবাসী পরিবারগুলির জন্য খাদ্যদ্রব্য নিয়ে হাজির হন বাড়িতে। সকলকে বোঝান, কেন ঘরে থাকা জরুরি এই সময়।

সূত্র

তাই বনগাঁর আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম মুড়িঘাটার বাসিন্দাদের ঘরে আটকে রাখতে অভিনব উপায় অবলম্বন করলেন তিনি। কী সেই পথ? গ্রামের মহিলাদের জানালেন, যদি সবাই বাড়িতে থাকেন, যদি গ্রামে একজনও করোনা আক্রান্ত না হন, তাহলে গোটা গ্রামের মহিলারা পাবেন নতুন শাড়ি। কিন্তু যদি গ্রামের একজনের শরীরেও মেলে মারণ ভাইরাস, তাহলে মিলবে না শাড়ি। গোপাল বাবুর এই প্রস্তাব অবশ্য মনে ধরেছে সকলের। সকলেই ঘরে থাকতে রাজি হয়েছেন। ভদ্রলোকের এই প্রয়াসের প্রশংসাও হচ্ছে দিকেদিকে।

সূত্র –