“টিকটক বন্ধ! যাদবপুর, বসিরহাটের মানুষ সাংসদদের কোথায় দেখতে পাবেন?” – শ্রীলেখা মিত্র

0
395

সম্প্রতি টলিউডে ‘স্বজনপোষণ’ হওয়া নিয়ে মুখ খুলেছিলেন তিনি। টলিপাড়াতেও কী নেপোটিজম হয়? অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসার পর কান পাতলে প্রায় সর্বত্রই শোনা যাচ্ছিল এমনই প্রশ্ন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তাঁকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। সেই শ্রীলেখা মিত্রই আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় বোমা ফাটালেন। এবার তাঁর নিশানায় যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী এবং বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। তবে এবার স্বজনপোষণের অভিযোগ নয়। চিনা অ্যাপ টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে দুই তারকা সাংসদকে বিঁধলেন অভিনেত্রী।

সীমান্তে উত্তেজনার আবহে সোমবারই চিনের বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ করে ভারত। ডিজিটাল স্ট্রাইকের পথে হেঁটে টিকটক, শেয়ার ইট, ইউসি ব্রাউজার, লাইকি, হেলো, ক্লাব ফ্যাক্টরি, বিউটি প্লাস, জেন্ডার, ক্যাম স্ক্যানার-সহ মোট ৫৯টি জনপ্রিয় অ্যাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, চিনের ওই অ্যাপগুলি সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, দেশের সুরক্ষার জন্য ক্ষতিকারক। সে কারণেই তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৯এ ধারায় অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত।

এদিকে, লাইক, কমেন্টের মোহে জেনওয়াই টিকটকের নেশায় বুঁদ। তারকারাও ওই অ্যাপ ব্যবহার করতেন যথেষ্ট। অভিনেত্রী তথা বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহানও টিকটকে মজে থাকেন অনেকটা সময়। লকডাউনে তাঁর টিকটক ভিডিও নিয়ে সমালোচনার ঝড়ও কম ওঠেনি।

এবার টিকটক নিষিদ্ধ হওয়ার প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় নুসরত ও মিমিকে আক্রমণ করে বসলেন শ্রীলেখা। তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে লেখেন, “টিকটক বন্ধ! যাদবপুর এবং বসিরহাটের মানুষ তাঁদের সাংসদদের তাহলে কোথায় দেখতে পাবেন?” এখানেই শেষ নয়। অভিনেত্রীর কটাক্ষ, “আহারে শুনে আমার চোখে জল চলে এল।”

শ্রীলেখার পোস্ট ইতিমধ্যেই বেশ ভাইরাল। কেউ কেউ তাঁর কথার সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন। তবে মিমি এবং নুসরতের অনুরাগীরা শ্রীলেখার পোস্টে যে বেশ বিরক্ত, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। যদিও এ নিয়ে মিমি কিংবা নুসরত কারও কোনও পালটা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সংগৃহীত – সংবাদ প্রতিদিন