দেখে নিন কেন্দ্রের তালিকায় রাজ্যের ‘হট’স্পট’ কোনগুলি, আপনার এলাকা সুরক্ষিত আছে তো…

0
428

সারা দেশে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করো’না আক্রা’ন্তের সংখ্যা। মৃ’তের সংখ্যাও বাড়ছে সমানতালে। এই পরিস্থিতিতে লক’ডাউ’নের মেয়াদ ৩রা মে পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই দিনগুলিতে নাগাড়ে টেস্ট করার কথাও বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের হট’স্পটগুলিতে বাড়ি-বাড়ি সার্ভে করার কাজ শুরু করছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। বুধবার দেশের ১৭০টি করোনার ‘হট’স্পট’ জেলা চিহ্নিত করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ৷ সেই তালিকায় রয়েছে রাজ্যের ১১টি জেলাও ৷ বেশি সংক্র’মণের তালিকায় কলকাতা-সহ রাজ্যের চার জেলা ৷

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে হট’স্পটের তালিকা প্রকাশ করা হল। যে তালিকায় রয়েছে বাংলার চার জেলা। সেই সঙ্গে ক্লাস্টার এলাকার মধ্যে রাখা হয়েছে আরও সাতটি জেলাকে।

প্রতীকী ছবি

কলকাতা ছাড়াও ‘হট’স্পট’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, চেন্নাই, জয়পুর ও আগ্রাকে। এর মধ্যে সংক্রমণ ক্রমশ তীব্র হচ্ছে মুম্বইয়ে। করো’নার ত্রাসে কাঁপছে দিল্লিও। উদ্বেগ বেড়েছে কলকাতাতেও। কারণ, কলকাতারও একাধিক জায়গা থেকে করো’না সং’ক্রমণ ধরা পড়েছে। ‘হট’স্পট’ হিসাবে বাছাই করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনাকে। বাকি জেলাগুলিকে ‘গ্রিন জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

প্রতীকী ছবি

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় স্তরে করো’না আক্রা’ন্তের সংখ্যা যেন না বাড়ে। হটস্পটগুলির উপর কড়া নজর রাখতে হবে। নতুন হট’স্পট যেন তৈরি না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিটি জেলায় কড়া নজরদারি চালানো হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। যেখানে করো’না রোগী ধরা পড়েছে সেখানে সংক্র’মণ মোকাবিলায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনাও হয়েছে।

প্রতীকী ছবি

করো’নায় হট’স্পট রাজ‍্যের কোন কোন জেলা? কলকাতা ছাড়াও রাজ্যের হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর ও উত্তর ২৪ পরগনাকেও ‘হট’স্পট’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র। অর্থাৎ এই চার জেলায় কো’ভিড পজি’টিভের সংখ্যা বেশি। এর পাশাপাশি যে সাতটি জেলাকে ক্লাস্টার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলি হল দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণা। এই এলাকাগুলিকে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে বিশেষ পদক্ষেপ করা হবে।

প্রতীকী ছবি

তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এই ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়ছে রাজ্যবাসীর। তাদের তরফে বলা হয়েছিল, লাল-কমলা-সবুজ- এই তিন ভাগে হটস্পট জোনে কাজ হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে ২৮ দিন। ২৮ দিনে যদি কেউ ওই এলাকায় নতুন করে সংক্রমিত না হন, তাহলেই তা হট’স্পটের আওতা থেকে বেরতে পারবে।

প্রতীকী ছবি

করো’না সংক্র’মণের ক্ষেত্রে তৃতীয় একটি স্তরও রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের ওই তালিকায়। সেটি হল, ক্লাস্টারযুক্ত হট’স্পট, অর্থাৎ জেলার কোনও বিশেষ এলাকাকে গণ্ডিবদ্ধ করা হয়েছে। সেই তালিকায় অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলা নেই।

সূত্র –