ভয়া’নক ভাবে আরও দুইবার করোনা আসবে, বিশ্বকে তৈরি থাকতে হবে – জানালো বিশ্ব স্বাস্থ‍্য সংস্থা ও বৃটেনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা

0
434

প্রা’ণঘা’তী করো’না ভাই’রাসের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাক্কা সামাল দেওয়া জন্য গোটা বিশ্বকে প্রস্তুত থাকতে হবে বলে জানালো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আরও দুইবার এই প্রা’ণঘা’তী করো’না আসবে এবং তা মোকাবিলা করতে হবে বিশ্বাবাসীকে এমনটাই বলছে সংস্থাটি। ইউরোপের ডাব্লিউ এইচ ওর প্রধান বলছেন ইউরোপে করো’নার ইতিবাচক লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও তা চূড়ান্ত ধাপ অতিক্রম করেছে। করো’নার খুব দ্রুত পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে না।

পুনরায় নতুন রুপে ফিরে আসবে। ডাব্লিউ এইচওর প্রেস ব্রিফিং এ তিনি বলেন,বিভিন্ন দেশ করো’না রো’গীদের যে স্বাস্থ্য পদ্ধতি অনুসরণ করছে তা তেমন কোন কাজে আসবে না।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করো’নার ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের পর এমন ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ডাব্লিউ এইচও বলছে, স্বাস্থ্যই সত্য, স্বাস্থ্য রাজনৈতিক এজেন্ডার শীর্ষে থাকার যোগ্য। স্বাস্থ্যই অর্থনীতির চালিকা শক্তি। স্বাস্থ্য ছাড়া অর্থনীতি অচল, সেই সাথে নেই জাতীয় নিরাপত্তা। এর জের ধরে ভবিষ্যৎ এ পুনরায় করো’না থেকে সৃষ্ট ধাক্কার জন্য প্রস্তুত থাকার কথা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। করো’নার ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত দ্বিতীয় ও তৃতীয়বারের মত করো’নার ধাক্কা সামাল দিতে হবে। করো’নায় আ’ক্রান্তদের মধ্যে ইউরোপেই রয়েছে শতকরা ৪৬ ভাগ মানুষ আর মা’রা গেছে মোট মৃ’তের দুই তৃতীয়াংশ মানুষ।

অন‍্যদিকে প্রা’ণঘা’তী করো’না ভাই’রাসের দ্বিতীয় ঝড় আরও ভয়া’বহ হবে বলে সর্তক করেছেন বৃটেনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং দেশটির সরকারের চিকিৎসা বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ক্রিস হোয়াইটি। সম্প্রতি অনলাইনে লন্ডনের গ্রেসাম কলেজে দেওয়া এক বক্তৃতায় তিনি এ সতর্ক বার্তা দেন। ক্রিস হোয়াইটি এই কলেজের পদার্থ বিদ্যার অধ্যাপক। অধ্যাপক ক্রিস বলেন, করো’না দ্বিতীয়বার ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে তা প্রথমবারের তুলনায় ‘আরও তীব্র’ হতে পারে এবং শীতকালে এটির সংক্র’মণ শুরু হলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

অধ্যাপক ক্রিস আরও বলেন, প্রতিটি দেশই লকডাউন ব্যবস্থা শিথিল করার উপায় খুঁজছে। কিন্তু মহা’মারীটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অত্যন্ত কঠিন ভারসাম্য রক্ষা আইন চালু করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এই ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত একজন ব্যক্তি থাকলেও তিনি অন্যদেরকে সংক্র’মিত করতে পারেন। এটা নিশ্চিত করা দরকার যে এই ভাই’রাসে আ’ক্রান্ত একজনও নেই। যদি এটা করা সম্ভব না হয়, তাহলে আমরা দ্বিতীয়বার করো’না ভাই’রাসের তাণ্ডব প্রত্যক্ষ করতে বাধ্য হব। ভাই’রাসটি থেকে আমরা সম্পূর্ণরূপে নিরাময় না হতে পারলে প্রথমবারের চেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃ’ত্যু দেখতে হবে। আর এটা হবে আগের তুলনায় কম সময়ে এবং বেশি বিধ্বংসী আকারে।

সূত্র –