দর্শকদের চাহিদার জন‍্য, লকডাউনে সবথেকে বেশী ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করতে হচ্ছে নীল ছবির তারকাদের

0
1081

সারা বিশ্বে করো’না আতঙ্ক যত বেড়েছে, দুনিয়ায় ততই বেড়েছে লকডাউন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সংক্র’মণের গতি রোধে চেষ্টা চলছে সব দেশই। আর এই পরিস্থিতিতেও ভারত-সহ গোটা বিশ্বে একটি বিষয় উল্লেখ যোগ‍্য ভাবে খুব দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে। সেটা হল, নীল ছবির দর্শক সংখ্যা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে লকডাউন যত জাঁকিয়ে বসেছে, তত বেড়েছে প’র্ন সাইটের ট্রাফিক। কিছু কিছু সাইটে তো আবার প্রিমিয়াম সার্ভিস বিনামূল্যে দেওয়ার কথা ঘোষণা করায় দর্শকসংখ্যা একলাফে হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছে।

করো’না আতঙ্কের মধ‍্যেই মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে উল্লেখযোগ্য হারে সারা বিশ্বে বেড়ে চলেছে নীল ছবি দেখার হার। যা মার্চ মাসের শেষ দিকে ২৫% বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতে নীল ছবি দেখার দর্শক, যা এখনও কমেনি।

প্রতীকী ছবি

রিপোর্ট বলছে যে দেশে যত আগে করো’না ছড়িয়েছে, লকডাউন চালু হয়েছে, সেখানে তত বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে প’র্ন ট্রাফিক। মার্চ মাসের মাঝ বরাবর প’র্ন সাইটগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ট্রাফিক ছিল ইতালিতে। তাই দর্শকদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে নীল ছবি পরিবেশনে এবার অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ওয়েবসাইট গুলি। করো’না পরিস্থিতিতে নীল ছবির তারকাদের ‘বাড়ি থেকে কাজ’ এর নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাগুলি।

প্রতীকী ছবি

বাড়ি থেকে ভিডিও শ্যুটের জন‍্য প্রায় কয়েক কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ পাঠিয়েছে সংস্থাগুলি। এরমধ্যে উঠে এসেছে ভিক্সেন গ্রুপের নাম। যারা এগিয়ে এসে প্রায় ২ কোটির যন্ত্রাংশ পাঠিয়েছে চুক্তিবদ্ধ নীল ছবির তারকাদের কাছে। এরমধ্যে রয়েছে HD+ ক্যামেরাও।

প্রতীকী ছবি

একজন বিখ্যাত প’র্নস্টার সম্প্রতি তাঁর দৈনন্দিন জীবন কেমন কাটে, তা শেয়ার করেছেন। একেবারে টাইমলাইন ধরে তিনি বলেছেন, একটা গোটা দিন তার কেমন করে কাটে। কী ভাবে চলে শ্যুটিং৷ কত টাকাই বা আয় হয়? গোটা বিষয়টি তিনি শেয়ার করেছেন। ওই নীল ছবি তারকার দাবি, সকালে জিম শেষ করে নিতে হবে ৯টায়। তারপর কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে অল্প কিছু খাবার সকাল ১০টায় খেয়ে নিতে হবে। তারপর আমাকে কিছু পেপারওয়ার্ক করতে হয়। তারপর মেকআপ, প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে মেকআপ করতে গোটা শরীরে। একেবারে ন’গ্ন হয়েই মেকআপ নিতে হয়। মেকআপে বিশেষ জোর দেওয়া হয় ক‍্যামেরা ফোকাস এর জায়গা গুলোয়।

প্রতীকী ছবি

১২ বা সাড়ে ১২টা নাগাদ শ্যুট শুরু হয়। প্রথমে কিছু স্টিল ছবি তোলা হয়। যতক্ষণ স্টিল ছবি তোলে, ততক্ষণ ক্যামেরা ইউনিট ও ডিরেক্টর অন্যান্য কাজগুলি সেরে ফেলেন। পুরুষ অভিনেতারা চলে আসে দুপুর ১টা থেকে ২টোর মধ্যে। ওঁরাও কিছু পেপারওয়ার্ক করেন। দুপুর ২টোয় শুরু হয় শ্যুটিং। কম-বেশি প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে শ্যুটিং চলে। ঘণ্টা খানেক পরে সে’ক্স স্টিল ছবি তোলা হয় আবার। স’ফ্টকোর ভার্সানের জন্য আবার সন্ধে ৬টায় আলাদা করে ভিডিও শ্যুট করতে হয়। সেটাও ঘণ্টা দেড়েকের কাজ। যদি স’ফ্টকোর ভার্সান না থাকে, তা হলে ৬টা ১৫ নাগাদ কাজ মিটে যায়। ওই দিনই চেক দিয়ে দেওয়া হয়।

প্রতীকী ছবি

নীল ছবির জগৎ হল এমন এক বিনোদন শিল্প, যেখানে ছেলেদের থেকে মহিলাদের পারিশ্রমিক বেশি এবং মেয়েদের পরিশ্রমও ছেলেদের থেকে বেশি করতে হয়। শুরু দিকে প্রতি শ্যুটিংয়ে ৬০০ মার্কিন ডলার থেকে ১০০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায় যা ভারতীয় মুদ্রায় ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকার কাছাকাছি। অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে যা বাড়তে থাকে। কেরিয়ারের প্রথম দিকে একজন মহিলা প’র্ন স্টারকে প্রমাণ করতে হয়, কেন তাঁকে হায়ার করা হবে। তাই কিছু ইউনিক ব্যাপার দেখাতে হয়। মেয়েটি সে’ক্সু’য়ালি কতটা আকর্ষণীয়, তার চেয়েও বেশি কাজ পাওয়া নির্ভর করে ফ্যান-বেসের উপর। বেশির ভাগই ৬ মাসের বেশি টেকে না, হারিয়ে যায়।

সূত্র – ইন্টারনেট