বদ্ধ হাসপাতালের ঘরে আর ভালো লাগেনা তাই এমআর বাঙ্গুর থেকে বাইরে ঘুরতে বেড়লেন করো’না রো’গী!

0
180
সূত্র

বৃহস্পতিবার দুপুর, তখন প্রায় দেড়টা। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসায় হাসপাতাল জুড়ে সাজ সাজ রব আছে। চিকিৎসক থেকে হাসপাতালকর্মী সকলেই তখন নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত আছেন। তার মধ্যেই হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে পড়েন ওই প্রৌঢ়। প্রায় সকলের চোখের অলক্ষ্যেই তিনি হাসপাতালের গন্ডি পেরিয়ে বেরিয়ে পরেন রাস্তায়। তার পর হাসপাতালের গা ঘেঁষে ফুটপাথ ধরে তিনি হাঁটতে শুরু করেন টালিগঞ্জ মেট্রো স্টেশনের দিকে।

দুপুর ১টা নাগাদ বাঙুর হাসপাতাল পরিদর্শনে ঢোকে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল। এর পরই এক রো’গীকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে হাসপাতালে খবর ছড়ায়। কিছুক্ষণ পর হাসপাতালের গেট দিয়ে বেরিয়ে যান মলিন পোশাক পরা এক ব্যক্তি, মুখে ছিল মাস্ক।

প্রতীকী ছবি

ধর ধর চিৎকার তখন এম আর বাঙ্গুর হাসপাতাল চত্বরে। ততক্ষণে সন্দেহ হয় নিরাপত্তারক্ষীদের। হাসপাতালের ভিতর থেকে ছুটে আসেন বেশ কয়েকজন পিপিই পরিহিত কর্মী। তাঁরাই ওই প্রৌঢ়ের পথ আটকান। হাসপাতালে ভিতরে ঢুকতে বলা হয় তাঁকে। এরপর ওই প্রৌঢ় ফের হাসপাতালের ভিতর প্রবেশ করলে, তাঁর সামনে-পিছনে এবং তিনি যে রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসেন সেখানে হাসপাতালের কর্মীরা ওষুধ মেশানো জল স্প্রে করতে থাকেন। প্রশ্ন ওঠে, ওই প্রৌঢ় কি নো’ভেল করো’না ভাই’রাস পজেটিভ? তিনি কি ওয়ার্ডের ভিতর ভর্তি ছিলেন? তিনি কি পালাচ্ছিলেন? যদি পালাচ্ছিলেন, তবে কেন?

সূত্র

ওদিকে করো’না রো’গী বেরিয়ে পড়েছে শুনে হাসপাতালের গেটের কাছে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। পিপিই পরা স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই ব্যক্তিকে দেখিয়ে, ‘পজিটিভ পেশেন্ট’ বলে অন্যদের সতর্ক করেন। এতেই লোকজন যে যেদিকে পারে ছুট দেয়। তবে তিনি করো’না আ’ক্রান্ত নাকি তিনি কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন কিংবা অন্য কোনও রো’গে আ’ক্রান্ত কি না, সে বিষয়ে এখনও কিছুই স্পষ্ট নয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, অসুস্থ বলে ওই ব্যক্তিকে এই হাসপাতালে কেউ রেখে গিয়েছেন। তবে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁকে এখনও ভর্তি নেওয়া হয়নি।

সূত্র –