করো’নার প্রকোপ কমাতে প্রকাশ‍্যে ধূ’মপান ও গুটখা খাওয়া বন্ধের নির্দেশ জারি হল

0
350

পান মশলার পিক থেকে ছড়াতে পারে করো’না ভাই’রাস। তাই পান মশলা উৎপাদন এবং বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, খাওয়ার তামাক, পান মশলা, সুপারি মুখের মধ্যে অতিরিক্ত লালার জন্ম দেয়। যে কারণে যেখানে সেখানে থুতু ফেলার একটা প্রবণতা তৈরি হয়। এই ঘটনা ঘটতে থাকলে আরও দ্রুত করো’না ভাই’রাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এগুলি অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সমগ্র দেশজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে লকডাউন। আগামী ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই লকডাউন। এই সময় বাড়ির বাইরে পা রাখার উপর জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

প্রতীকী ছবি

প্রকাশ্যে পান মশলা, খাওয়ার তামাক ব্যবহার বন্ধ করতে রাজ্য সরকারগুলিকে নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, করো’না ভাই’রাসের সংক্রমণ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া চিঠি পৌঁছে গিয়েছে সমস্ত রাজ্যে ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিবের কাছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ‍্যম asianet news বাংলা এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পাশাপাশি লকডাউনের মধ্যেই আরও কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে লালবাজার। লকডাউন চললেও পাড়ায় পাড়ায় প্রকাশ্যেই চলছে ধূ’মপান। যা সম্পূর্ণ বেআইনি। প্রকাশ্যে ধূ’মপানের বিরুদ্ধে কত মামলা রুজু করা হয়েছে, থানাগুলির কাছে লালবাজার তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

প্রতীকী ছবি

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, যে কোনো তামা’কজাত দ্রব্য সেবন ক্যা’ন্সারের কারণ হওয়ায় কয়েক বছর আগে তা সমগ্র দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল। সেই তালিকায় ছিল পান মশলাও। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই মুহূর্তে দেশের প্রতিটি কোনায় দেদার বিকোচ্ছে পান মশলা। দেশের একাধিক রাজ্য, বিহার, ঝাড়খণ্ড, তেলঙ্গানা, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও অসম কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশ কার্যকর করেছে। করোনা রুখতেই আগে থেকে রাজ্য সরকারের স্তরে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।