পাক স্পিনার সাকলিন মুস্তাক এতদিন পর জানালের তিনি ১৯৯৯ এর বিশ্বকাপ চলাকালীন কিভাবে লুকিয়ে স্ত্রীর সাথে স’ঙ্গম করতেন

0
191

১৯৯৮ সালে বিয়ে করেছিলেন সাকলিন। তারপরই ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপের সময় স্ত্রীর সঙ্গে থাকা শুরু করেন পাক তারকা। কারন সেই সময় সাকলিন মুস্তাকের স্ত্রী লন্ডনে থাকতেন। বিশ্বকাপের শুরুর দিকে পাক দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের থাকার ব্যাপারে কোনও বিধিনিষেধ ছিল না। কিন্তু পরে পরিবারের লোকজনদের দেশে পাঠানোর নির্দেশ দেয় পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট।

সাকলিন বলেছেন, ‘সেই সময় দিনের বেলা হাড়ভাঙ্গা অনুশীলন করতাম। আর সন্ধ্যার সময় স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতাম। এটাই অভ্যাস হয়ে উঠেছিল। কিন্তু হঠাৎ করে টিম ম্যানেজমেন্ট বললো স্ত্রীদের সঙ্গে রাখা যাবে না। আমি কোচ রিচার্ড পাইবাসকে বললাম, সব তো ঠিকই আছে। তাহলে এমন সিদ্ধান্তের কারণ কী! আসলে আমি বিনা কারণে কোনো কিছুর পরিবর্তনে বিশ্বাস করি না। তাই ঠিক করেছিলাম দলের ওই সিদ্ধান্ত মানব না।’

এই না হলে প্রেম। থাক না নিষেধাজ্ঞা, থাক না ধরা পড়ার ঝুঁকি। তবু স্ত্রী’কে কাছ ছাড়া করা যাবে না। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে তিনি নাকি নিজের স্ত্রী’কে হোটেল রুমের আলমারিতে লুকিয়ে রাখতেন। সাকলিনের সদ্য বিয়ে হয়েছিল। তাই তিনি স্ত্রীকে এক মুহূর্তের জন্যও দূরে রাখতে চাইতেন না। তাই বাধ্য হয়ে স্ত্রীকে লুকিয়ে রাখতে হত আলমারির ভিতরে। অবসরের এত বছর পর সেই সত্যি সামনে আনলেন সাকলিন।

সতীর্থ এবং কোচিং স্টাফদের নজর এড়াতে মাঝে মাঝেই স্ত্রীকে লুকিয়ে রাখতেন আলমারির ভিতরে। পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিনার বলছিলেন, ‘‌টিমের ম্যানেজার, কোচ ও অন্যান্য অফিশিয়ালদের স্ত্রীকে দেখে ফেলার ভয় ছিল। তাছাড়া ক্রিকেটাররাও আড্ডা দিতে আসত রুমে। আমার রুমের দরজায় টোকা পড়লেই স্ত্রীকে আলমারিতে লুকিয়ে ফেলতাম। এভাবে অনেকদিন আমার স্ত্রী আলমারিতে লুকিয়ে থেকেছে।’‌

পরে অবশ্য ধরা পড়ে যান মুস্তাক। আজহার মাহমুদ, মহম্মদ ইউসুফের মতো সতীর্থরা দেখে ফেলেন সাকলিনের স্ত্রী’কে। যদিও তাঁরা টিম ম্যানেজমেন্টকে এসব নিয়ে কিছুই বলেননি। উল্লেখ্য, ৯৯-এর বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল পাকিস্তান। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারলেও গোটা টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন সাকলিন। এখন অনেকেই মজা করে বলছেন, আসলে সাকলিনের এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের রহস্য লুকিয়ে ছিল আলমারিতেই।

সূত্র –