ম’দ‍্যপান করুন ইচ্ছামতন, জ‍েনেনিন হ্যাংওভার কাটানোর টিপস

0
223

বিশেষ কিছু উৎসবের দিনে একটু বেশি পানাহার হয়েই থাকে। এছাড়া বিভিন্ন মরশুমে কি আর হাত গুটিয়ে, জিভ শুকিয়ে বসে থাকা চলে? না, একেবারেই না। কেই বা চাইবেন না, একটু উল্লাসের পাত্রে চুমুক দিতে! এসব নতুন নয়। কিন্তু গোল বাধে, যখন পরের দিন সকালে উঠে অফিস দৌড়োতে হয়। আবার অফিস না গেলেই নয়। এদিকে মাথা ঝিমঝিম, বমিভাব। তাহলে উপায়?‌

আগের দিন গলা পর্যন্ত উৎসবে ডুবে থেকে পরদিন হ্যাংওভার কাটিয়ে সাতসকালে অফিসে পৌঁছতে? আলবাত পারবেন। এই সহজ কয়েকটি উপায়ে। হ্যাংওভার কাটানোর টিপস রইল এখানে—

জল – সকালবেলা উঠে যখন মনে হবে আগের দিন অতটা খেলেও পারতেন, তখন আপনার মাথাব্যথার একমাত্র ওষুধ জল৷ আজ্ঞে হ্যাঁ, বিশুদ্ধ পানীয় জলেই শরীর থেকে বেরিয়ে যাবে রাতের যাবতীয় টক্সিন।

মধু – মধু নিজেও কিন্তু নে’শা কাটাতে দারুণ কার্যকর। এক চামচ মধু এমনিই খেয়ে নিন। নয়তো পরের দিন সকালে টোস্টে লাগিয়েও মধু খেতে পারেন।

কলা – এই ফলের গুণগান বারবার গেয়েও শেষ হওয়ার নয়। রাতের উচ্ছ্বাসের পর সকালে উঠতে গিয়ে চট করে অনেকের মাথাই ঘুরে ওঠে। চটজলদি একটা-দু’টো কলা খেয়ে নিন। পেট শান্ত থাকলে, হ্যাংওভারও বিদায় নেবে।

লেবু – এক্ষেত্রে লেবু দারুণ উপকারি। এক গ্লাস উষ্ণ গরম জলে দু’চামচ লেবুর রস এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে খান। তবু মাথা ঝিমঝিম?‌

প্রাতরাশ – নে’শা কাটানোর জন্য পরের দিন সকালের প্রাতরাশ খুব জরুরি। খেতে ইচ্ছে না করলেও খেতেই হবে। প্রোটিন জাতীয় খাবার খান। এই যেমন ডিম, সসেজ, চিজ। এতে উপকার পাবেন।

তাজা ফলের রস – অ্যা’লকোহল মানুষের শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয়। ফলে সকালে উঠলে অনেকেরই দূর্বল লাগে। এই সমস্যার সমাধানের একমাত্র উপায় এমন তাজা ফলের রস খাওয়া যাতে গ্লুকোজ রয়েছে।

গরম স্যুপ – খুব বেশি হ্যাংওভার কাটাতে এর থেকে ভাল আর কিছুই হতে পারে না। ধোঁয়া ওঠা গরম স্যুপের স্বাদ ও গন্ধে ফের চাঙ্গা হয়ে উঠবে আপনার শরীর। টমেটোর রসটা যেন থাকে। সঙ্গে মিশিয়ে নিন এক চিমটে লঙ্কার গুঁড়ো।

সূত্র – ইন্টারনেট