দেখুন সেই বালককে, যে ১১ বছর বয়সে পড়াচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রদের

0
509

অবাক হবেন না । এ এক অদ্ভূত বালকের কাহিনি । মাত্র ১১ বছর বয়স তার । এই বয়সে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে সবেমাত্র হাইস্কুলে প্রবেশ করে সবাই । কিন্তু এ ছেলে পুরো পুরি জিনিয়াস । এখন যার এমএ-বিএড পাস শিক্ষকদের কাছে পড়ার কথা, সে-ই কিনা পড়াচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রদের । বিস্ময়কর এই ঘটনা এ দেশেরই বুকে । এ খবর প্রকাশ করে এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ‍্যম এএনআই ।

হায়দরবাদের মহম্মদ হাসান আলি । সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সে । কিন্তু মেধা দিয়ে সে এখন থেকেই বিস্ময় সৃষ্টি করেই চলেছে । সে কি না পড়াচ্ছে তার দ্বিগুণ বয়সি ছাত্রদের । ডিজাইনিং, ড্রাফটিং কোনও কিছুই আটকাচ্ছে না । সবেতেই সে সমান পারদর্শী । তাঁর শিক্ষণে বেশ স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন মেকানিক্যাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্ররাও ।

কিন্তু কী করে এমন বিস্ময় বালক হয়ে উঠল হাসান । অবশ্যই এই অসাধ্য সাধন হয়েছে ইন্টারনেটের কল্যাণে । হাসান নিজেই জানিয়ে দিল সে কথা । আর সেই সঙ্গে হাসান জানায়, ইন্টারনেটে একটা ভিডিও দেখেছিলাম, যেখানে দেখি বিশাল লেখাপড়া করেও ভারতীয় ইঞ্জিনিয়াররা বিদেশে গিয়ে ছোট কাজ কর্ম করছে । তা মোটেও অভিপ্রেত নয় ।

হাসান চায়, ইঞ্জিনিয়াররা যেন এদেশেই চাকরি করে । বিদেশে গিয়ে যেন অন্য চাকরি না করে । আমাদের ইঞ্জিনিয়াররা অনেক এগিয়ে মেধায়, শুধু পিছিয়ে টেকনিকে আর জনসংযোগে । ডিগ্রি থাকা সত্ত্বেও তারা চাকরির অভাব বোধ করেন । হাসান জানায়, আমার পছন্দ ডিজাইনিং । আমি নিজেও শিখি, অন্যদেরও শেখাই ।

কিন্তু সময়ে পায় কী করে হাসান ? নিজের দিনলিপি নিজেই বলে দিল হাসান । রোজ সকালে সে স্কুলে যায় । বাড়ি ফিরে লেখাপড়া করেই সে চলে যায় খেলতে । সন্ধ্যা ৬টা থেকে সে শুরু করে ক্লাস । তখন হাসান শিক্ষকের ভূমিকায় । গ্র্যাজুয়েট থেকে শুরু করে এম-টেক, বি-টেক ছাত্ররা হাসানের শিক্ষণে মুগ্ধ । হাসানের ছাত্ররা বলছে, বয়সে ছোট হলে কী হবে, হাসান সুন্দর করে বুঝিয়ে দেয় সব । কঠিন জিনিসও সহজ হয়ে যায় অতি সহজে ।