মাত্র ৯০ মিনিটে করো’না শনাক্ত করার কিট তৈরি হল বাংলায় – স্বীকৃতি দিলো ICMR

0
298
প্রতীকী ছবি

এখনও দেশে করো’না আক্রা’ন্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর সেটার কারণ এবার রাজ্যের ওপরে ঠেলে দিল কেন্দ্র। কারণ গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৩৯০০ জন আ’ক্রান্ত হয়েছে সারা দেশে। আর এটার কারণ রাজ্য ঠিকঠাক রিপোর্ট দেয় নি বলেই এমনটা হয়েছে, এমনটাই জানালো কেন্দ্র। এক লাফে ৪ হাজার আ’ক্রান্তিত, তাও একদিনে। এখন মোট বেড়ে দাড়ালো ৪৬ হাজার ৪৩৩ জন।

এখন দেশে চলছে তৃতীয় দফার লক ডাউন, কিন্তু তাও ইতিবাচক কোনও ধরনের খবর নেই দেশের জন্য। তবে এর মধ্যেই একটি ভালো খবর হল, বাংলায় তৈরী হচ্ছে পরীক্ষা কিট। আর সেটাকে নাকি ইতিমধ্যে মান্যতা দিয়েছে আই সি এম আর (Indian Council of Medical Research)।

প্রতীকী ছবি

এবার আশা করা হচ্ছে এই কিট অনেকটাই সাহায্য করবে করো’না রুখতে। এখানেই শেষ না সাথে আছে আরও কিছু খবর, আসলে দেশে যে চিনা কিট নিয়ে আসা হয়েছে তার খরচও পরছে অনেক ১৪০০ টাকার মতো, তার মধ্যে সেটাতে রিপোর্ট আসতে সময় লাগে অনেকক্ষণ। কিন্তু বাংলার তৈরী কিটের দামও যেমন কম, সাথে এটাতে রিপোর্ট আসতেও সময় লাগবে কম। এই কিটের দাম এখন ৫০০ টাকা। আর তার দ্বারা রিপোর্ট পাওয়া যাবে দেড় ঘন্টার মধ্যেই।

প্রতীকী ছবি

বাংলার যে কিট তার নাম রাখা হয়েছে ডায়াগশিওর এনসিওভি -১৯ ডিটেকশন এসে। বাংলার একটি সংস্থা, যার নাম জিসিসি বায়োটেক ইন্ডিয়া বানিয়েছে এই কিট। সেখানকার দুই বিজ্ঞানী জয়দীপ মিত ও ডঃ অভিজিৎ ঘোষ তাদের প্রচেষ্টায় তৈরী হয়েছে এই কিট। এই কিটের মাধ্যমে সুবিধা এখন অনেক ধরনের, এটা তৈরী করার বেশী ঝামেলা নেই, সাথে বাইরে থেকে আনার দরকার পরে না কাচামাল, তাহলে আর্থিক দিক থেকেও যেমন সুবিধা তেমন সময়ের দিক থেকেও।

প্রতীকী ছবি

এই জিসিসি বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেড মলিকিউলার ডায়াগনিস্ট ডিভিশনের প্রধান জানায় একটি কথা, এখন ৫০ লক্ষের মতো রিয়েকশন তৈরী করা আছে, এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য হল দেশে টেস্টিং বাড়ানো, আর সেটা সফল হলেই দেশ থেকে করো’না দূর করা যাবে। এই কাজ এখন পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনায় চলছে। আগামীতে লক্ষমাত্রা ১ কোটি কিট। যা দেশে জন্য অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতীকী ছবি

উল্লেখ্য, বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত বলে যাচ্ছেন, লকডাউন উঠে গেলে করো’না চলে যাবে, ব্যাপারটা মোটেই তা নয়। করো’নাকে নিয়েই এখন বাঁচার লড়াই চালাতে হবে মানুষকে। সেই কারণেই টেস্টের প্রয়োজনীয়তাও এখনই শেষ হয়ে যাবে না। সেক্ষেত্রে বাংলার তৈরির এই কিট অত্যন্ত কার্যকরী হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র