করোনা আতঙ্কের মধ‍্যেই গর্ভবতী হয়ে গেলেন বছর ৬০ এর পাকিস্থানী প্রৌঢ়!

0
254

এই পৃথিবীতে প্রতিদিনই কিছু না কিছু বিস্ময়কর জিনিস ঘটে চলেছে, এবার তেমনই এক অবাস্তব জিনিস ঘটে গেল পাকিস্থানের খানওয়ালে। এক প্রৌঢ় চিকিৎসা করানোর জন্য খানেবালের ডিএইচকিউ হাসপাতালে এসেছিলেন। সেখানে তাঁর প্রসাব পরীক্ষা করতে বলা হয়। সেই রিপোর্টে দেখা গেছে বিট্টা গর্ভবতী ছিলেন। আর সেই রিপোর্ট হাতে আসতেই শুরু হয়ে যায় হইচই। এই খবরের পরে, খানওয়ালের জেলা প্রশাসক ল্যাবটি সিল করে তার মালিক আমিনকে গ্রেপ্তার করেছেন।

স্বাস্থ্য দফতর তদন্তে নেমে জানতে পারে ওই ল্যাবটি লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধ ভাবে চলছিল। এমনকি সেখানে কোনও চিকিৎসকও কাজ করতেন না। এভাবেই বিগত ২ বছর ধরে চলছিল সেই ল্যাবটি।

পাকিস্তানের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে বারাবর উঠে আসছে প্রশ্ন, বিপাকে পড়তে হচ্ছে সেই দেশের সরকারকে। সেই করাণে রোগীদের চরম দুর্দশার মধ্যে পড়তে হয়। দারিদ্র্যের কারণে গরিব মানুষরা বড় হাসপাতাল গুলিতে যেতে পারেন না, এবং সহজেই হাতুড়ে চিকিৎসকের খপ্পরে পড়ে যান। সরকারি হাসপাতালের পরিস্থিতিও ভাল নয়। পুলিশ জানিয়েছে, আমিন আগে হাসপাতালের রক্ত ​​পরীক্ষাগারে প্রযুক্তিবিদ হিসাবে কাজ করতেন। স্বাস্থ্য অধিদফতর তদন্তের পরে, নিশ্চিত করেছে যে ল্যাবটিকে লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আমিনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত করছে।

সূত্র

এদিকে পাকিস্তানের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রৌঢ়ের গর্ভবতী হওয়ার খবর  ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে মজা করা শুরু করেন। নেটিজেনদের কেউ কেউ এটিকে ভুয়ো খবর বলেন, আবার এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার জন্য দেশের সরকারকেও দায়ি করেন অনেকেই। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এই ধরণের খবর ছড়িয়ে পড়ায় অবাক হন। এমনকী অনেকেই ল্যাবে পরীক্ষা করা মেডিক্যাল রিপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নও তুলে দেন।

সূত্র