এখনো দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ মাস্ক পরেন না, সঠিক ভাবে মাস্ক পরেন মাত্র…

0
391

বাসস্থানের বাইরে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলেও অধিকাংশ মানুষই তা মানছেন না। দিন যত যাচ্ছে, লোকজন ততই মাস্ক ব্যবহারে উদাসীন হচ্ছেন। মাস্ক ছাড়া বাইরে না যেতে সরকারের পক্ষ থেকে গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়াসহ নানা মাধ্যমে প্রচার চালানো হলেও তাতে কাজ হচ্ছে না। মাস্ক না পরলে জেল-জরিমানার ঘোষণা দেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে এর প্রয়োগ সীমিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোষ্ঠীতে সংক্রমণ (কমিউনিটি ট্রান্সমিশন) ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। এই সময়ে মাস্কের ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করা না গেলে সংক্রমণ আবার বাড়তে পারে।

প্রতীকী ছবি

করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে ছারখার হয়ে যাচ্ছে দেশ। এই পরিস্থিতিতে সরকার তো বটেই, বিভিন্ন সংগঠন, সংবাদমাধ্যম সব জায়গা থেকেই মানুষকে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও নিয়মিত হাত ধোওয়া বা স্যানিটাইজ করার বিষয়ে সচেতন করার চেষ্টা চলছে। আর তা আজ থেকে শুরু হয়নি। এই একই প্রচার চলছে ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে। তারপরেও দেশের অর্ধেক মানুষকেই এ বিষয়ে সচেতন করা যায়নি।

প্রতীকী ছবি

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্টে ভয়ঙ্কর তথ্য এখনও মাস্কে অনীহা দেশের ৫০ শতাংশ মানুষের, যাঁরা মাস্ক পরেন তাঁদের মধ্যে ৬৪ শতাংশ মাস্ক দিয়ে নিজেদের নাক ঢেখে রাখেন না। নিয়ম মেনে মাস্ক পরেন মাত্র ১৪ শতাংশ। সংক্রমণ রুখতে প্রধান অস্ত্র যথাযথ মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ববিধি পালন। দেশে দ্বিতীয় ঢেউ আসার জন্য চিকিৎসামহল দেশের মানুষের এই দুটি জিনিষের প্রতি অনীহাকেই দায়ী করেছেন।

প্রতীকী ছবি

খোদ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলছে, দেশের অন্তত ৫০ শতাংশ মানুষের এখনও মাস্ক পরতে অনীহা। দেশের ২৫ শহরের উপর একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশের অধিকাংশ মানুষ মাস্ক ঠিক ভাবে পরতেই জানেন না। আর যাঁরা মাস্ক পরেন, তাঁদের মধ্যে অন্তত ৬৪ শতাংশ মানুষ মাস্ক দিয়ে নাক ঢাকেন না। আর গোটা দেশের মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষ সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করেন।

সূত্র

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে। চরম পরিস্থিতিতেও দেশের মানুষের এই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ভাবাচ্ছে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রককে। এই নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে চিকিৎসামহল জানাচ্ছে দেশের মানুষ দ্রুত এই ব্যাপারে সতর্ক না হলে আগামীদিনে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে আরও ভয়ঙ্কর চিত্রের সাক্ষী হবে গোটা দেশ। এই কঠিন পরিস্থিতিতেও হুঁশ ফিরছে না আমজনতার।