৩য় দফা লকডাউনের শেষে ভারতের কোন শহরে করো’না রোগীর সংখ‍্যা কত হতে পারে – জানাচ্ছে সমীক্ষা

0
289

কেন্দ্রীয় সরকারের হিসাব অনুসারে, ১৫ই মে এর মধ্যে মুম্বই, আহমেদাবাদ, কলকাতা এবং দিল্লির সমস্ত জেলায় করো’না ভাই’রাসে আ’ক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়তে চলেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ভারতের প্রধান প্রধান শহর ও জেলাগুলিতে করো’না রো’গীর সংখ্যা কোথায় পৌঁছোতে পারে তার একটি তালিকা তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে জেলাগুলিতে বিচ্ছিন্নতা শয্যার সংখ্যা, আইসিইউ শয্যার সংখ্যা এবং ভেন্টিলেটর-এরও ঘাটতি হতে পারে বলে অনুমান মন্ত্রকে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ‍্যম asianetnews এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পাশাপাশি নীতি আয়োগের পক্ষ থেকেও গাণিতিক মডেলের উপর ভিত্তি করে ভারতের করো’না ভাই’রাসের প্রভাব কোন জায়গায় পৌঁছোতে পারে, তার আগাম পূর্বাভাস দিয়েছে।

তবে সরকার এই আনুমানিক হিসাবের সঙ্গে জানিয়েছে, এটা সবচেয়ে খারাপ অবস্থার ছবি। এই ছবি রাজ্য গুলিকে ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা সবচেয়ে খারাপ অবস্থার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে পারে।

মহারাষ্ট্র – 

১৫ই মে তারিখে ভারতের বানিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইতে করো’না ভাই’রাসে আক্রা’ন্তের সংখ্যা পৌঁছোতে পারে ২৮,৮৫৯ তে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তালিকা থাকা মহারাষ্ট্রের প্রথম শহর পুনে-তে ১৫ই মে করো’না আ’ক্রান্তের সংখ্য়া হতে পারে ৩৯৪৯ এমনটাই বেরিয়েছে অঙ্কের হিসাবে। তালিকা থাকা মহারাষ্ট্রের দ্বিতীয় শহর থানে-তে করো’না আ’ক্রান্তের সংখ্যা ১৫ই মে ৪,১৮১ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আর সেই সঙ্গে ১১ই মে এর মধ্যেই শহরের বিচ্ছিন্ন শয্যা ও ভেন্টিলেটর-এর সংকট দেখা দিতে পারে।

গুজরাট –

১৫ই মে আহমেদাবাদে করো’না আ’ক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৯,১৬৮ হতে পারে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ১৫ই মে সুরাত শহরে ২৮৮৩ জন করো’না আ’ক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেই সঙ্গে ১৪ই মে থেকে শহরে বিচ্ছিন্ন শয্যার সংকট দেখা দিতে পারে।

তামিল নাডু –

১৫ই মে তামিলনাডুর রাজধানী চেন্নাইতে করো’না আ’ক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩,৫০৭। আর সেই সঙ্গে ৯ই মে থেকেই বিচ্ছিন্নতা শয্যার সংকট দেখা দিতে পারে।

মধ‍্যপ্রদেশ –

মদ্যপ্রদেশের রাজধানী ভূপালে ১৫ই মে করো’না আক্রা’ন্তের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ২,১৭৭। মধ্যপ্রদেশের অন্যতম করো’না হটস্পট ইন্দোর শহরে ১৫ই মে ক’রোনা আ’ক্রান্তের সংখ্যা ২,৪৮৯ তে উঠে যেতে পারে। তবে এখানে কোনও শয্যা বা ভেন্টিলেটরের অভাব হবে বলে মনে হয় না।

দিল্লী –

দিল্লী শহরে করো’না আ’ক্রান্তের সংখ্য়া বেড়ে ৫,৫৩৭ তে পৌঁছোতে পারে। তবে, আশার কথা রাজধানীতে অন্তত বিচ্ছিন্নতা শয্যা এবং আইসিইউ শয্যা কিংবা ভেন্টিলেটর-এর ঘাটতি হবে না।

উত্তরপ্রদেশ –

উত্তরপ্রদেশের কানপুরে ১৫ই মে করো’না আ’ক্রান্তের সংখ‍্যা ৩,৪৬৩ জন হয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। কানপুরের মতোই উত্তরপ্রদেশের আরো এক জেলা আগ্রায় রো’গীর সংখ্যা বেড়ে ১,২০০ হয়ে যেতে পারে। আর সেই সঙ্গে ১৪ই মে থেকে অভাব হবে আইসিইউ বেডের। বিচ্ছিন্নতা শয্যা কতগুলি রয়েছে সেই তথ্য এখনও কেন্দ্রের কাছে নেই।

পশ্চিমবঙ্গ –

কলকাতায় ১৫ই মে করো’না আ’ক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২,৩৯৪ হয়ে যেতে পারে। আর সেই সঙ্গে ১২ই মে থেকেই সিটি অব জয়-তে আইসিইউ বেডের জন্য হাহাকার শুরু হতে পারে। কলকাতায় ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা কটি রয়েছে সেই তথ্য কেন্দ্রের কাছে নেই।