নিজেদের সুরক্ষার দাবিতে ন’গ্ন হয়ে প্রতি’বাদ ডাক্তারদের!

0
960

করো’না ভাই’রাস গোটা পৃথিবীর ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে। তার জন্য কোন ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক আবিষ্কার এখনো পর্যন্ত না হওয়ায় শুধুমাত্র সামাজিক দূরত্ব এবং লক ডাউন সিদ্ধান্ত নিয়েই আটকে থাকতে হচ্ছে দেশগুলিকে। কিন্তু যারা এই ভাই’রাসের বি’রুদ্ধে ফ্রন্টফুট থেকে লড়াই করছেন সেই সব ডাক্তার এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত সরঞ্জাম দেওয়া হচ্ছে না, এমন অভিযোগ আসছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। এই একই অভি’যোগ জার্মান ডাক্তারদেরও।

পর্যাপ্ত সরঞ্জামের অভাবে এবার তারা ন’গ্ন হয়ে প্রতি’বাদে সামিল হয়েছেন। করো’না ভাই’রাস থেকে সুরক্ষা পেতে পর্যাপ্ত পিপিই দেওয়া হয়নি তাদের। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় জামা-কাপড় এবং জিনিসপত্রেরও ঘাটতি রয়েছে।

View this post on Instagram

Par solidarité avec mes consoeurs et confrères initiateurs du mouvement, Monsieur le Ministre de la Santé, Monsieur le Président de la République, Face au COVID-19 Nous avons fermé nos cabinets, Nous nous sommes démunis de tous les EPI au profit des hôpitaux, Nous avons organisé la permanence des soins d’urgence, Nous n’avons le droit à aucune aide de l’État, À présent nous sommes à poil !!!! Nous sommes des SOIGNANTS DONNEZ-NOUS LES MOYENS DE NOUS PROTEGER ET DE SOIGNER NOS PATIENTS EN SÉCURITÉ DES LE 11 MAI ! #dentisteapoil #frenchdentist #dentist #dental #nakeddentist #coronavirus #mask #odontologia #twins #naked #frenchtouch

A post shared by Gros Catherine (@catgros75) on

এইসবের প্রতি’বাদে ন’গ্ন হয়ে বি’ক্ষোভ প্রদর্শন করলেন জার্মান ডাক্তারদের একাংশ। তাঁরা এই প্রতি’বাদের নাম দিয়েছেন ‘ন’গ্ন সংশয়’। এই প্রতিবাদের মুখ রুবেন বারনাউ বলেছেন, পর্যাপ্ত সুরক্ষা ছাড়া এই ভাই’রাসের রো’গীদের চিকিৎসা করা অত্যন্ত ঝুঁ’কিপূর্ণ। কিন্তু বারবার বলা সত্ত্বেও সরকারের তরফে সে রকম কোন সাহায্য পাচ্ছেন না তারা। তাঁর কথায়, ‘সুরক্ষা ছাড়া আমরা কতটা এই রো’গের দ্বারা ঝুঁ’কিপূর্ণ, তা বোঝাতেই এই ন’গ্ন হওয়া।’ এর প্রতি’বাদে ন’গ্ন হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তারা।

ডাক্তারদের কথা অনুযায়ী, তারা রো’গীদের অবশ্যই চিকিৎসা করতে চান, কিন্তু দিনের পর দিন এইভাবে ঝুঁ’কি নিয়ে তাদের চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর কথায়, ‘করো’না আ’ক্রান্ত রো’গীদের চিকিত্সার জন্য নিবিড় পরীক্ষা দরকার। সে কারণে আমাদের যথাযথ পিপিই দরকার।’ ভাই’রাস পরিস্থিতির বি’রুদ্ধে লড়’তে তাদেরকেও সুরক্ষিত করতে হবে এমনই দাবি চিকিৎসকদের। পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জামের মধ্যে মাস্ক, গ্লাভস, গগলস কিছুই নেই বলে জানিয়েছেন তারা। এই সবকিছু যত দ্রুত সম্ভব সরবরাহের জন্য সরকারকে আর্জি জানিয়েছেন প্রতিবাদী ডাক্তাররা।

প্রতিবাদ জানাতে চিকিত্‍‌সার সময় ডাক্তাররা ন’গ্ন হয়ে কেউ ফাইলের পেছনে, কেউ টয়লেট রোলের পেছনে, কেউ আবার মেডিক্যাল জিনিসপত্র বা প্রেসক্রিপশনের পেছনে নিজেদেরকে ঢেকে রেখেছেন। জানুয়ারিতে জার্মানিতে করো’না থাবা বসানোর পর থেকে জার্মান ডাক্তাররা বহুবার পিপিই-র দাবিতে সরব হয়েছেন।

তা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নেওয়াতেই তাঁরা এই প্রতি’বাদে শামিল হয়েছেন বলে জানান তাঁরা। একদিকে জার্মানির ফার্মগুলি যেমন প্রয়োজনমত পিপিই-র সরবরাহ করতে পারছে না, তেমনি জার্মানির একাধিক হাসপাতাল থেকে একাধিকবার পিপিই ও জী’বাণুনা’শক চু’রির ঘটনাও সামনে এসেছে।

সূত্র