‘ফ্রেন্ড জোন’ হওয়া যে কতটা কষ্টের, তা এই ছবিগুলি দেখেই বুঝতে পারবেন!

0
462

বর্তমান যুগের ছেলেদের কাছে সবচেয়ে বড় বেদনাদায়ক জিনিস হল ‘ফ্রেন্ড জোন’ হওয়া। ঘরের ভিতর চলতে গিয়ে টেবিলের পায়াতে পায়ের কড়ে আঙুল ধাক্কা খেলেও বোধহয় অতটা ব্যথা লাগেনা যতটা ব্যথা ফ্রেন্ড জোন হওয়ার পর অনুভব করে ছেলেরা।

পুরুষ হয়ে জন্মানো মানেই দাঁতে দাঁত চেপে অনেক ব্যথায় নিঃশব্দে সহ্য করতে হয়। কিন্তু ফ্রেন্ড জোন হওয়ার ব্যথা সারাজীবনেও সারে না পুরুষদের ক্ষেত্রে। আজ আমরা আপনাদের এরকমই দুর্ভাগা কিছু ছেলের ছবি দেখাবো, যারা নিজের অজান্তেই চলে গেছে তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর ফ্রেন্ড জোনে। ছেলেগুলির জন্য ঘটনাগুলি বেশ বেদনাদায়ক তবে ছবিগুলি নিঃসন্দেহে মজার। আসুন দেখে নেওয়া যাক ছবিগুলি।

১. ছেলেটির সাথে মেয়েটির বাইকের সিটে যে দূরত্ব রয়েছে এটিকেই বলে ফ্রেন্ড জোন।

২. দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে পড়ে না যায় মেয়েটি।

৩. ফ্রেন্ড জোনের দূরত্ব ঘোঁচানোর প্রবল প্রচেষ্টায় যুবক।

৪. হ্যান্ডব্যাগ দিয়েই তৈরি করা হয়েছে ফ্রেন্ড জোনের সীমা।

৫. এখানে ফ্রেন্ড জোন কে হয়েছে সেটা ছবি দেখেই বুঝতে পারছেন।

৬. রাস্তার মাঝেই বসার সিট বান্ধবীর জন্য, বেচারা বন্ধু।

৭. শুধু রাস্তা নয়, ফ্রেন্ড জোনে থাকা এই যুবককে ব্যস্ত রেল স্টেশনেও বসার সিট হতে হয়েছে।

৮. এই যুবকের মুখের ভাব দেখলেই তার কষ্টটা আন্দাজ করা যায়।

৯. ইনি বান্ধবীর জন্য একটু বেশিই করেছেন।

১০. না রে, আমি তোকে শুধু আমার ভালো বন্ধু বলেই মনে করি।

১১. সত্যিই ফ্রেন্ড জোনে পড়ে কত যুবককে কত ধরণেরই না অত্যাচার সহ্য করতে হয়।

১২. আচ্ছা, নেল পলিশও পরিয়ে দিতে হয় বান্ধবীকে।

১৩. বান্ধবীর জন্য সবকিছু করতে রাজি এই ছেলে।

১৪. এটা তো সাধারণ দৃশ্য, সারা পৃথিবীর সর্বত্রই এটি দেখা যায়।

১৫. এর চেয়ে দুঃখের আর কিই বা হতে পারে। এঙ্গেজমেন্ট রিং তাও কিনা ফ্রেন্ডশিপের।

১৬. হ্যাঁ এরকমও করতে হয় বান্ধবীর জন্য।

১৭. বেচারাকে তো দাস বানিয়ে রেখেছে মনে হচ্ছে।

১৮. যাক গে তোকে তো পাওয়া যাবে না, কোল্ড ড্রিংকস্‌টাই সাবার করি।

১৯. বেচারার কাঁধকেই ড্রেসিং টেবিল বানিয়ে দিয়েছে বান্ধবী। মুখের ভাবেই স্পষ্ট কতটা কষ্টকর ব্যাপার।

২০. আজ কুছ তুফানি করতে হে! তবে সবটাই বান্ধবীর জন্য, এমনই দুর্ভাগ্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here