শুঁটকি মাছেই কমছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি!

0
523

করো’না ভাই’রাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন বিশ্বের স্বনামধন্য গবেষকরা। ধারণা করা হচ্ছে, এই ভাই’রাসের ভ্যাকসিন প্রস্তুত হতে সময় লাগবে এক থেকে দেড় বছর। এমন সময় ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের মানুষের ধারণা শুঁটকি মাছেই কমছে করো’না ভাই’রাস সংক্র’মণের সম্ভাবনা। শুধু তাই নয়, এই কথায় চিকিৎসকদের একাংশও সহমত পোষণ করেছেন। গতকাল বুধবার এমনটি জানানো হয়েছে ভারতের সংবাদ মাধ্যম জি নিউজের প্রতিবেদনে।

করো’না ভাই’রাস ব্যাপক ভাবে সংক্র’মিত হয়েছে ভারতে। পরিসংখ্যান সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, গোটা ভারতে ৩১ হাজারের বেশি মানুষ করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়েছে। আর প্রা’ণ চলেগেছে প্রায় ১ হাজারের বেশি মানুষের।

তবে পরিসংখ্যান বলছে, এই ভ’য়াবহতার মধ্যেও এখনো কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন উত্তর-পূর্ব ভারতের ৮ রাজ্যের মানুষ। যার মধ্যে ৫ রাজ্য সম্পূর্ণ করো’না ভাই’রাস মুক্ত। বাকি ৩ রাজ্যের পরিস্থিতিও আয়ত্বে। শুঁটকি মাছ খাওয়ার অভ্যাসের কারণেই তারা করো’না মুক্ত বলে ধারণা ওই অঞ্চলের মানুষের।

উল্লেখ্য, ম্যালেরিয়া প্রবণ এই অঞ্চলের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাদের খাদ্যাভ্যাসই এর অন্যতম কারণ। পুঁটি মাছকে প্রক্রিয়াজাত করে পু’ড়িয়ে খাওয়া এই অঞ্চলে বহু দিনের চল। সবজির সঙ্গে এই পোড়া পুঁটি মাছ দিয়েই রান্না হয় গোদক নামে এক ধরনের খাবার।

খুব ঝাল এই গোদকই ম্যালেরিয়ার প্রতিষেধক বলে মনে করেন স্থানীয়রা। জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে গোদকের চাহিদা বেড়ে যায় উপজাতি মহল্লায়। পাহাড়িদের পাশাপাশি সমতলবাসীদেরও প্রিয় এই গোদক।

করো’না সংক্র’মণ প্রতিরো’ধেও এই গোদক দারুণ কাজ করছে বলে ধারণা স্থানীয়দের। বিজ্ঞানসম্মত কোনো যুক্তিযুক্ত প্রমাণ না মিললে এই ধারণাকে একেবারে উড়িয়া দিতে পারছেন না চিকিৎসকদের একাংশ।

সূত্র