মেদবহুল পুরুষেরাই বিছানায় সঙ্গিনীদের খুশি করায় এগিয়ে! জানাচ্ছে সমীক্ষা

0
378

মোটা হওয়া মানেই শরীরে বাসা বাঁধবে হাজারও রোগ। ব্যস! সেকথা ভেবেই শুরু শারীরিক কসরত। তাই ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠেই শুরু হাঁটা, জগিং। খাবারদাবারে রাশ। লক্ষ্য একটাই যেকোনও উপায়ে কমাতে হবে ওজন। হতে হবে রোগা, ছিপছিপে চেহারার অধিকারী। শরীরে রোগের বাসা বাঁধার সম্ভাবনাকে ধামাচাপা দিতে গিয়ে এত কসরত তো করছেন। কিন্তু জানেন কি রোগা হওয়ার ফলে আপনার যৌ’ন জীবনে ঠিক কতটা ক্ষতি হল? ভাবছেন তো রোগা, মোটার সঙ্গে আবার যৌ’নতার সম্পর্ক কী?

কিন্তু সম্প্রতি সমীক্ষার রিপোর্ট দেখলে আপনার চোখ কপালে উঠবে। কারণ, বিশেষজ্ঞরা বলছেন একজন রোগা পুরুষের পরিবর্তে মেদবহুল পুরুষই নাকি তাঁদের শয্যাসঙ্গিনীকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিতে পারেন। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা মোট ৫ হাজারেরও বেশি যুগলকে নিয়ে একটি সমীক্ষা করেন।

প্রতীকী ছবি

ওই ৫ হাজার যুগলের মধ্যে স্থূল চেহারার পুরুষেরা যেমন ছিলেন তেমনই ছিলেন রোগারাও। দু’ধরনের পুরুষদের শয্যাসঙ্গিনীদের সঙ্গে কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। তাতেই দেখা গিয়েছে, রোগাদের তুলনায় মোটা চেহারার পুরুষেরাই বিছানায় বেশি ফিট। দেখতে মোটা হলেও উদ্দাম যৌ’নতায় মেতে ওঠার ক্ষমতা অনেক বেশি রয়েছে তাঁদের। বিছানায় খুশি করার ক্ষেত্রে স্থূল চেহারার ব্যক্তিদের একশোয় ১০০ নম্বর দিয়েছেন সঙ্গিনীরা। রোগা এবং মোটা এই দু’ধরনের পুরুষদের সঙ্গিনীদের সঙ্গে কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতীকী ছবি

এরপর হিসাব করে দেখা যায়, রোগা পুরুষ এবং মোটা পুরুষেরা সপ্তাহে ঠিক কতবার যৌ’নতায় মেতে ওঠেন। সে হিসাবের দৌড়েও এগিয়ে রয়েছেন মোটা পুরুষেরা। সপ্তাহে অনেক বেশিবার যৌ’নতায় মেতে ওঠেন তাঁরা। রোগা পুরুষদের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যা বেশ কম। তাই চেহারা মোটা হওয়ায় যাঁরা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হতাশ হয়ে যান বা যাঁরা রোগা হওয়ার চেষ্টা করছেন তাঁরা বিশেষজ্ঞদের সমীক্ষার রিপোর্টে খুশিই হবেন। তবে রোগা চেহারার পুরুষদের দুঃখ পাওয়ার কোনও কারণ নেই।

প্রতীকী ছবি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চেহারার বদলে শারীরিক সুস্থতার দিকে নজর দিন। আপনি যত বেশি সুস্থ থাকবেন ততই  সঙ্গিনীদের খুশি করার দৌড়ে এগিয়ে যাবেন। তাই রোগা কিংবা মোটা এসব নিয়ে ভাবনাচিন্তা ছেড়ে নিজের শারিরীক সুস্থতার দিকে নজর দিন। তাতেই দেখবেন কেল্লাফতে! প্রতিবার যৌ’ন মিলনে নতুন করে আপনাকে আবিষ্কার করছেন সঙ্গিনী।

সূত্র – সংবাদ প্রতিদিন