প্রচন্ড গরমের মধ্যেও নিজেকে ঠাণ্ডা রাখুন এই সহজ কয়েকটি উপায়ে

0
1021

গতবছর ছিল বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছর, এই বছর যে তাপমাত্রা কমবে তেমনটা আশা করা যাচ্ছে না! তাই গরমের মোকাবিলা করার জন্যে আমাদের আগে ভাগেই প্রস্তুত থাকা জরুরি। আজ আমরা আপনাদের জন্য প্রচন্ড গরমে নিজেকে শীতল রাখার কিছু কার্যকরি উপায় জানাবো।

ঝাল খাবার খান

ঝাল শুনে বেশ গরম অনুভব করতে পারেন কিন্তু সত্যি কথা হলো এটি আপনার রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করবে। শরীরে ঘামের সৃষ্টি করে এটি আপনা্র শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে আপনাকে শীতল করে তুলবে।

অতিরিক্ত ঠান্ডা জলে স্নান না করা

অতিরিক্ত ঠান্ডা জল আপনাকে খুব দ্রুত যেমন ঠান্ডা করে দেবে ঠিক তেমনি আবার গরম অনুভূতি বাড়িয়ে দেবে। কারণ আপনার হঠাৎ অতি শীতল হয়ে যাওয়া শরীরকে সে আবার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে আসতে অতিরিক্ত উষ্ণতা সৃষ্টি করবে ফলে একটু পরেই আপনার গরম লাগবে। তাই স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে একটু কম তাপমাত্রার জল দিয়ে স্নান করা দরকার, ফলে শরীর আপনাকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে আসতে কম শক্তি খরচ করবে।

ভেজা কাপড়

 

ভেজা কাপড়কে চেষ্টা করবেন দরজা কিংবা জানালার সামনে শুকাতে দেয়ার। বাতাস আসলে তার তাপমাত্রা একটু কমে গিয়ে আপনার ঘরে আসবে।

বিছানায় সুতির কাপড়ের চাদর ব্যবহার

সুতির কাপড়ের চাদর ব্যবহার করলে তা দিয়ে বায়ু চলাচল করতে পারে ভাল ভাবে এবং ঘাম কম হয়।

পোষাক

পোষাকের ক্ষেত্রেও হালকা সুতির পোষাক ব্যবহার করাই শ্রেয়, যাতে বায়ু চলাচল করতে পারে এবং গরম কম হয়। সাদা রঙের পোষাক গ্রীষ্মের সময় সবচেয়ে আরামদায়ক।

মরসুমি ফল

এই মরসুমে যে সমস্ত ফল পাওয়া যায় সেগুলি অবশ্যই খাবেন।

পাখার সামনে বরফ রাখা

যাদের সম্ভব হবে তারা চাইলে পাখার সামনে বরফভর্তি গামলা রাখতে পারেন। ফলে ফ্যানের বাতাস ঠান্ডা হয়ে ঘরকে একটু হলেও ঠান্ডা করবে।

পর্দা ব্যবহার

জানালা দরজায় পর্দা টাঙিয়ে রাখলে সুর্যের আলো আপনার ঘরে আসতে পারবে না এবং ঘরের ঠান্ডা বাতাস বাইরে যেতে পারবে না।

বাড়ির বাইরের দেয়ালে হালকা রঙের ব্যবহার

গাঢ় রঙ বেশি তাপ শোষণ করে ফলে ঘরের ভেতরটা গরম বেশি থাকে। তাই বাড়ির বাইরের দেয়ালে হালকা রঙের রঙ লাগান যাতে করে সুর্যরশ্মি প্রতিফলিত করে দেয়।

জগিংটা সকাল সকাল সেরে ফেলা

অনেকেই কাজ শেষে বিকেল বা সন্ধ্যায় জগিং করেন। এটা না করে একটু সকালে ঘুম থেকে জেগে সকাল বেলাতেই এই কাজ সেরে ফেলতে পারেন। সারাদিন আপনি গরম সহ্য করার একটা শক্তি পাবেন।

দিবাস্বপ্ন !

দিবাস্বপ্ন শরীর কিভাবে শীতল করে তা ভাবছেন? হ্যাঁ করে, গবেষণাতে দেখা গেছে তুষার কিংবা ঠাণ্ডার দেশের কথা কল্পনা করলে শরীরের তাপমাত্রা কমে আসে। গরমের সময় দিবাস্বপ্ন দেখে শরীর শীতল করার চেষ্টা করতে ভুলবেন না।