সাবধান: বাস্তুশাস্ত্র মতে এই জিনিসগুলি পকেটে রাখলে কিন্তু মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে

0
1134

বিশ্বাস। কথায় বলে বিশ্বাসের মধ্যে এমন শক্তি আছে যে তা যে কোনও পাহাড়কে ভেদ করতে পারে। অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলতে পারে। শুধু তাই নয়, নিজেকে উজাড় করে দিতে পারে সবাইকে ভাল রাখতে। সেই বিশ্বাসকে সঙ্গী করে এই প্রবন্ধে আলোচিত নিয়মগুলি মেনে চলুন। দেখবেন খারাপ কিছু ঘটার আশঙ্কা একেবারে কমে যাবে। জানি কোনও কোনও সময় বাস্তুশাস্ত্রে আলোচিত অনেক বিষয়কে সত্যি মেনে নেওয়া কঠিন হয়। মন যেন কিছুতেই এইসব আজব নিয়মগুলিকে মানতে চায় না। কিন্তু বিশ্বাস করুন একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে বাস্তুশাস্ত্রে উল্লেখিত নিয়মগুলি মেনে চললে খারাপ তো হয়ই না, উল্টে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন প্যান্টের পকেটে আমরা বাড়ির চাবি থেকে শুরু করে, টাকা, পার্স এবং আরও কত কী যে রাখি তার কোনও হিসেব নেই। কিন্তু বাস্তু মতে গুড লাককে সঙ্গী বানাতে হলে বেশ কিছু জিনিস আছে, যা ভুলেও পকেটে রাখা উচিত নয়।

এখন প্রশ্ন হল, সুখের ঝাঁপি ভরাতে এবং অর্থনৈতিক উন্নতির সাক্ষী থাকতে কী কী জিনিস একেবারেই পকেটে রাখা চলবে না?

১. পুরানো বিলস:

কোনও কিছু কেনার পর পাওয়া বিল অনেকেই পকেটে রেখে দেন। পরে সেটি পকেট থেকে বের করে যে ফেলে দিতে হবে, সেটা অনেকেই করতে ভুলে যান! এমনটা করা একেবারেই উচিত নয়। কারণ বাস্তুশাস্ত্র মতে প্যান্ট বা জামার পকেটে পুরানো বিল রেখে দিলে নেগেটিভ এনার্জি পিছু নেয়। ফলে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই এবার থেকে ভুলেও পুরানো বিল পকেটে রাখবেন না যেন!

২. উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এমন ছবি:

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে মানি ব্যাগে এমন কোনও ছবি রাখা উচিত নয়, যা দেখা মাত্র উত্তেজনা বাড়তে পারে। কারণ এমনটা করলে মন এবং মস্তিষ্ক উত্তেজিত হয়ে ওঠে। ফলে কাজে মনোযোগ বিঘ্নিত হয়ই, সেই সঙ্গে মানসিক চাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই প্যান্টের পকেটে যদি ছবি রাখতেই হয়, তাহলে মা-বাবা অথবা স্ত্রী-ছেলে-মেয়েদের রাখুন। যাদের দেখে আপনার মনের জোর বাড়বে।

৩. নষ্ট হয় যাওয়া মানি ব্যাগ:

অর্থনৈতিক সঙ্কটে পরার ইচ্ছা রয়েছে নাকি? উত্তর যদি না হয়, তাহলে ভুলেও খারাপ হয়ে যাওয়া মানি ব্যাগ পকেটে রাখবেন না। কারণ বাস্তু মতে ছিঁড়ে যাওয়া ব্যাগ সঙ্গে রাখলে নেগেটিভ এনার্জি পিছু নেয়। সেই সঙ্গে খরচের পরিমাণ এত বেড়ে যায় যে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স খালি হয়ে যেতে সময় লাগে না।

৪. হিজিবিজি লেখা:

আমার এক বন্ধু ছিল যে সারা দিন ধরে যখন সময় পেতে ছোট ছোট কাগজে কবিতা লিখত। আর তা মনের ভুলে রেখে দিতে প্যান্টের পকেটে। এই ভাবে পকেটে পকেটে জমতে থাকতো অপ্রাকাশিত হিদিবিজ কবিতারা। সব ঠিকই চলছিল। হঠাৎ করেই একর পর খারাপ ঘটনা ঘটতে শুরু করল সেই বন্ধুর সঙ্গে। এমনকি চাকরিও চলে যেতে বলেছিল। এমন সময় হঠাৎ জানা গেলে হিজিবিজি লেখা পকেটে রাখা নাকি একেবারে উচিত নয়। বাস্তুশাস্ত্র মতে এই ধরনের লেখা পকেটে জমতে থাকলে চারিদিক থেকে নেগেটিভ এনার্জিরা আক্রমণ শানাতে শুরু করে। আর এমনটা হলে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যে বৃদ্ধি পায়, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে!

৫. ভাঁজ খেয়ে যাওয়া টাকা:

খেয়াল করে দেখবেন অনেকেই পকেটে টাকা রেখে থাকেন। আর পকেটে থাকতে থাকতে টাকাগুলি মারাত্মক ভাঁজ খেয়ে যায়। এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়। কারণ বাস্তুশাস্ত্রের উপর লেখা একাধিক বইয়ে এমনটা লেখা রয়েছে যে ভাঁজ খেয়ে যাওয়া টাকা পকেটে রাখলে মা লক্ষী রেগে যান। ফলে অর্থনৈতিক উন্নতি লাভের সম্ভাবনা কমে। তাহলে এখন প্রশ্ন হল কীভাবে রাখতে হবে টাকা? ভুলেও ভাঁজ করে রাখবেন না। মানি ব্যাগে সুন্দর করে গুছিয়ে একের পর এক নোট রাখুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৬. ওষুধ:

ভুলেও পকেটে কোনও ওষুধ রাখবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা পিছু নেবে। সেই সঙ্গে শরীরও ভাঙতে শুরু করবে। কমবে কর্মক্ষমতা। তাই ওষুধ যদি সঙ্গে রাখতেই হয়, তাহলে আলাদা ব্য়াগে তা রাখুন। প্যান্টের পকেটে নৈব নৈব চ!

৭. রুপার কোনও জিনিস:

বাস্তুশাস্ত্র মতে পকেটে রুপোর কোনও জিনিস রাখলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আপনার চিরসঙ্গী হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। তাই সুখ-শান্তির সন্ধান পেতে এই নিয়মটি মেনে চলতে ভুলবেন না যেন!