উন্মুক্ত রাস্তায় মূ’ত্রত‍্যাগ রুখতে দেওয়ালে লাগানো হল আয়না, মূ’ত্রত্যাগ করতে এসে পড়লেন ল’জ্জায়

0
260

কলকাতার রাস্তা দিয়ে হাঁটলে দেওয়ালে কত কিই না দেখা যায়। রাজনৈতিক দাবী দাওয়া, সিনেমার পোস্টার আর কোথাও কোথাও ভেজা দেওয়াল। সেখান থেকে ফুটপাথ দিয়ে সেই ধারা বয়ে চলেছে রাস্তার দিকে। তা শুধুমাত্র কলকাতার দো’ষ দিয়ে লাভ নেই, আমাদের দেশে প্রায় প্রতিটি শহরেই দেওয়ালে মূ’ত্রত্যাগ করেন এমন মানুষের অভাব নেই। বেঙ্গালুরুও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে সম্প্রতি ব্রুহুত বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে অর্থাৎ পুরসভা এই বিষয়টি মোকাবিলা করতে এক অভিনব পন্থা নিয়েছে।

এমন এক পন্থা যাতে দেওয়াল ভেজাতে আসলেই মূ’ত্রত্যাগকারী ল’জ্জায় সরে পড়তে বাধ্য হচ্ছেন। বেঙ্গালুরু পুরসভার পক্ষ থেকে, নিয়মিত মূ’ত্রত্যাগ করা হতো, শহরের এমন পাঁচটি জায়গার দেওয়ালে দেওয়ালে বিরাট বড় আকারের আয়না লাগিয়ে দিয়েছে। ত্যাগ করতে উদ্যত হয়েই অনেকে মুখ তুলে আয়নায় নিজেকে দেখে ল’জ্জায় কেটে পড়ছেন বলেই খবর।

তবে শুধু এই অশো’ভন কাজ যারা করেন, তাদের ভাগিয়ে দেওয়াই নয়। একইসঙ্গে বেঙ্গালুরু পুরসভার পক্ষ থেকে তাঁদের বিকল্প পথের সন্ধানও দেওয়া হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে সম্বৃদ্ধ শহরে ওই আয়নার গায়েই থাকছে কিউআর কোড। স্মার্টফোনের ক্যামেরা ব্যাবহার করে তা স্ক্যান করলেই ধারে কাছে কোথায় শৌচাগার রয়েছে তার সন্ধান দেওয়া হবে গুগল ম্য়াপে।

বিবিএমপি-র পুরকমিশনার বলেছেন, খোলা জায়গায় প্র’স্রাব করা কমাতে প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের ভাবনা-কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতেই পুরসভা এই উদ্যোগ নিয়েছে। তবে তিনি এটাও স্বীকার করে নিয়েছেন সবসময় কাছাকাছি শৌচাগার মেলে না। তবে মোটামুটিভাবে সব জায়গায় ৬০০ মিটার দূরত্বের মধ্যেই শৌচাগার রয়েছে বলে তাঁর দাবি। তাঁদের এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ দেওয়াল ছেড়ে শৌচাগারই ব্যবহার করায় অভ্যস্ত হবেন।