অভিনয়ের প্রয়োজনে ক‍্যামেরার সামনে ন’গ্ন হয়েছেন যে সব সাহসী বাঙালি নায়িকারা

0
2488

রাজ কাপুরের সময়টা যদি বাদ দেওয়া যায়, হিন্দি সিনেমায় সে অর্থে কোনোদিনই সাহসী শুট করতে দেখা যায়নি। একমাত্র রাজ কাপুরেরই বুকের পাটা ছিল। ১৯৭০ সালে শিক্ষিকার সিক্ত দেহের দিকে তাকিয়ে ছাত্রের মোহিত হওয়ার দৃশ্য শুট করেছিলেন তিনি। তাও আবার নিজের ছেলে ঋষি কাপুরকে দিয়ে। এর পরে প্রায় প্রতিটি ছবিতেই তিনি নায়িকাদের দু’একটি দৃশ্যে খোলামেলা দেখিয়েছেন। নায়িকাদের ব্যাকলেস হতে আপত্তি নেই কিন্তু ন’গ্ন হতে আপত্তি আছে।

ওই যুগটা ছাড়া, আর কদাচিত্‍ এক-আধটা ছবি ছাড়া, বলিউডে ন’গ্নতা সেভাবে দেখা যায়নি। বিশেষত, সম্পূর্ণ ন’গ্নতার তো প্রশ্নই নেই। উল্টো দিকে বাংলা সিনেমা কিন্তু তুলনামূলক অনেক স্বাধীন, অনেক সাহসী। খেয়াল করে দেখুন, এখানেও সাহস দেখিয়েছেন সেই বাঙালি। তাও আবার যে সে ব্যক্তি নন।

পাওলি দাম –

ছ’ত্রাক যাঁরা দেখেছেন, তারা তো জানেন, কী ছিল সেই ছবিতে। অনুব্রত আর পাওলি পর্দায় শুধু ন’গ্নই হননি। একেবারে স’ঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন। আর এই বঙ্গতনয় তনয়ার যৌ’ন দৃশ্যের শুট হয়েছিল ক্যামেরায়। দেখেছিল সারা বিশ্ব। সারা বিশ্ব এই কারণেই, কারণ বিশ্বের অন্যতম স্বনামধন্য কান ফেস্টিভালে দেখানো হয়েছিল ছবিটি। প্রশংসাও পেয়েছিল প্রচুর। অনেকে বলবেন, এ যে লজ্জার বিষয়।

গড়পাড়ের মেয়ে কিনা বিশ্ব বাজারে উল’ঙ্গ হলো? কলকাতার বাঙালির মাথা কাটা গেল। কিন্তু যাঁরা শিল্পী, তাঁরা জানেন, এক নারীদেহকে কতটা সোহাগ ঢেলে বানিয়েছে প্রকৃতি। সেই দেহ নিঃসন্দেহে আবেদনময়ী। কিন্তু সেই সঙ্গে শিল্পও ভরে আছে রন্ধ্রে রন্ধ্রে। বাংলা ছবি তাইই দেখিয়েছে। তা হোক না গুটি কয়েক। হোক না ব্যা’ন হয়ে যাওয়া চলচ্চিত্র।

ঋতুপর্ণা সেন –

গা’ন্ডু ছবিতে ঋ যখন উর্ধ্বা’ঙ্গ উন্মো’চন করেছিলেন, অনেকেই তা মেনে নিতে পারেনি। আবার অনেকে সাময়িক আহ্লাদের জন্য তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছে সেই ন’গ্নতা। ঋ তখন এমন একজন নায়িকা, পর্দার সামনে জামাকাপড় খুলতে যাঁর আপত্তি নেই। কসমিক সে’ক্সের বেলাতেও তাই। ওখানে তো আবার ঢাক পিটিয়ে মেনস্ট্রুয়েশন দেখানো হয়েছে। অবশ্য ঋ বলেছেন, ছবির প্রয়োজনে, স্ক্রিপ্টের প্রয়োজনে, তিনি সবই করতে পারেন।

কমলিকা বন্দ্যোপাধ্যায় –

ছবির নাম গা’ন্ডু। সমালোচনা উদ্দেশ্য নয়। সিনেমায় বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলার জন্য যতটা সাহসী হতে হবে। এই যে বলিউড ছবি আজ সাহসী হয়েছে বলে বড়াই করা হয়, তা কিন্তু আদতে সত্যি নয়। সাহসিকতার পথ দেখিয়েছে বাঙালি। তবে এ বললেও ভুল হবে যে শুধু বাংলা ছবিতেই নারীদে’হ উন্মো’চন করা হয়েছে।

কমলিনী মুখোপাধ্যায় –

তামিল মেইনস্ট্রিম ছবি কুট্টিস্রাঙ্ক-এ সম্পূর্ণ ন’গ্নতা দেখানো হয়েছিল। জানেন, ছবিতে কে অভিনয় করেছিলেন এক বাঙালি অভিনেত্রী, নাম কমলিনী মুখোপাধ্যায়।

নন্দনা সেন –

‘রং-রসিয়া’ এই ছবিতেও ক্যামেরার সামনে ন’গ্ন হয়েছিলেন এই বাঙালি নায়িকা।

সীমা বিশ্বাস –

‘ব্যান্ডিট কুইনে’ সীমা বিশ্বাসের ন’গ্ন হয়ে নদী পেরিয়ে জল আনতে যাওয়ার দৃশ্য ঝড় তুলেছিল ছবির দুনিয়ায়।

শুভ্রা বসু –

আর্ট কলেজে ন্যু’ড মডেলের ভূমিকায় ‘পরম্পর’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শুভ্রা বসু। ২০০৩ সালে এই ছবির একটি দৃশ্যে সম্পূর্ণ ন’গ্ন হয়েছিলেন শুভ্রা।

স্বস্তিকা মুখার্জি –

টেক ওয়ান সিনেমায় স্বস্তিকার ফ্রন্টাল ন্যু’ডিটির দৃশ্য নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠেছিল।