ইনিই হলেন পৃথিবীর সে’ক্সিয়ে’স্ট অ্যাথলিট! আসছেন টোকিয়ো অলিম্পিক্স ২০২০তে

0
801

জার্মানির ভবিষ্যত তিনি। মাস খানেক হল আ’ইসো’লেশন পর্বে ইতি টেনে আবার ময়দানে নেমে পড়েছেন জার্মানির ২১ বছরের অ্যাথলিট আলিশা স্মিড (Alica Schmidt)। জোরকদমে শুরু করে দিয়েছেন প্র্যাকটিস। কারণ টোকিয়ো অলিম্পিক্স ২০২০-কেই আপাতত পাখির চোখ করেছেন তিনি। যদিও অলিম্পিক্সে তাঁর সিলেকশন নিয়ে ধন্দ্ব রয়েছে বিস্তর। তবে জার্মানির এই উঠতি ট্র্যাক স্টারের গণ্ডি কেবলমাত্র অ্যাথলেটিক্সের দুনিয়াতেই সীমাবদ্ধ নয়।

আলিশিয়ার পপুলারিটি এখন খেলার থেকেও বেশি তাঁর সৌন্দর্যের জন্য। কম বয়সী অ্যাথলিটের পাশাপাশিই তাঁর নামের পাশে জুড়ে গিয়েছে বিশ্বের সে’ক্সিয়ে’স্ট অ্যাথলিটের তকমাও।

নজরকাড়া স্টাইল আর ভুবন ভোলানো চাহনির নিত্যনতুন ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে ভক্তদের হৃদয়ে আসন গেড়ে বসে রয়েছেন আলিশা স্মিড। এই আলিশিয়াকে নিয়েই নানা অজানা তথ্যে নজর রাখা যাক।

অ্যাথলিট হিসেবে নাম করেছিলেন আগেই। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যমণি হয়ে বসেন ইনস্টাগ্রামে একের পর এক তাক লাগানো ছবি পোস্ট করে।

মাত্র ৩৭৮টি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন তিনি। কিন্তু ফলোয়ারের নিরিখে সিলভার স্ক্রিনের যে কোনও সেলেবকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে পারেন আলিশা।

ইনস্টাগ্রামে এই মুহূর্তে তাঁর ফলোয়ার ৮ লক্ষ ৬২ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। স্পষ্টতই, বি’কি’নি পরিহিত নানা হট ছবি এবং ট্র্যাক জগতের অন্দরমহলের ছবি পোস্ট করে কী বিপুল পরিমাণ পপুলারিটি তিনি কুড়িয়েছেন, তা বোধ হয় আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জুনিয়র হিসেবে যখন খেলা শুরু করেছিলেন, তখনই নিজের জাত চিনিয়েছেন আলিশা। ট্র্যাকে যে কোনও নামী তারকাকে যে হেলায় হারাতে পারেন, সে কথা আগেই প্রমাণ করেছেন সুন্দরী এই অ্যাথলিট।

২০১৭ সালে ইউরোপিয়ান অ্যাথলেটিক্স আন্ডার টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বড়সড় সাফল্য পেয়েছিলেন তিনি। ৪x৪০০ রিলে ইভেন্টে জার্মানির জন্য সিলভার মেডেল জিতেছিলেন আলিশা স্মিড।

মাত্র ২১ বছর। আর এই বয়সেই বিশ্বের সে’ক্সিয়ে’স্ট অ্যাথলিটের তকমা। এক কথায় অবিশ্বাস্য ঘটনা। কারণ, এই তকমা সহজে পাওয়া যায় না।

তারকা হলেও রীতিমতো কাঠখড় পুড়িয়ে নামের পাশে এমন তকমা জোটে। কিন্তু জার্মান অ্যাথলিট আলিশা স্মিড মাত্র ২১ বছর বয়সেই নিজের নামের পাশে লিখিয়ে নিয়েছেন বিশ্বের সে’ক্সিয়ে’স্ট অ্যাথলিট উপাধি।

তবে জেনে রাখা ভালো, এই তকমা তাঁকে সোশ্যাল মিডিয়া দেয়নি। কারণ নামজাদা মিডিয়া হাউজগুলির শিরোনামে একপ্রকার নিয়ম করেই রোজ উঠে আসছিল আলিশার নাম।

সংবাদপত্র থেকে শুরু করে ম্যাগাজিন সর্বত্র কভারে কেবলই আলিশার ছবি। বা’স্টেড কভারেজই মূলত তাঁকে বিশ্বের সে’ক্সিয়ে’স্ট অ্যাথলিট উপাধি দেয়।

২০২০ টোকিয়ো অলিম্পিক্সে দেখা যাবে আলিশা স্মিডকে। অলিম্পিক্সে ২০০ মিটার, ৪০০ মিটার এবং ৮০০ মিটারের ট্র্যাক ইভেন্টে অংশ নিতে দেখা যাবে তাঁকে।

ইন্ডোর ট্র্যাকে তাঁর রেকর্ড যথেষ্ট ভালো। ৮০ মিটার এবং ১০০ মিটার ট্র্যাক ইভেন্টে বরাবরই এক নম্বরে নিজের নাম তুলেছেন এই জার্মানি তারকা।

আর সেই রেকর্ড থেকেই একটা বিষয় পরিষ্কার যে, টোকিও অলিম্পিক্সেও জার্মানিকে নিরাশ করবেন না আলিশা! প্রতি বছর জার্মানির হয়ে ৪x৪০০ মিটার রিলে ইভেন্টেও নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন ২১ বছরের উঠতি এই অ্যাথলিট।

ঠিকঠাক স্পনসর পাওয়ার জন্য অ্যাথলিটদের বহু তপস্যা করতে হয়। জিততে হয় একের পর এক পদক। নামের পাশে রাখতে হয় চ্যাম্পিয়নশিপ টাইটেল।

কিন্তু আলিশা স্মিডের ক্ষেত্রে এমনতর সাফল্য এসেছিল এক লহমায়। দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্পনসরার হিসেবে নামী ব্র্যান্ড পুমাকে পাশে পেয়েছেন জার্মানির এই সুন্দরী অ্যাথলিট।

পরবর্তীতেও অ্যাথলিট জগতে দেশের নাম যে, আরও উজ্জ্বল করতে চলেছেন আলিশা– তা প্রমাণ করে দিচ্ছে কেরিয়ারের শুরুতেই নামী ব্র্যান্ডের স্পনসরশিপ।

সূত্র – এই সময়