করো’না অতি সাধারণ রো’গ, একে মা’রাত্মক করে তুলছে মানুষের ভীতি – দাবি AIIMS কর্তার

0
369

লকডাউন করেও আটকানো যাচ্ছে না করো’নাকে। ভারতে ক্রমশ জাল বিস্তার করছে প্রা’ণঘা’তী এই ভাই’রাস। দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে আ’ক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ছে মৃ’ত্যুও। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে করো’নার দ্রুত সংক্র’মণের কারণ জানালেন নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স (AIIMS) -এর ডিরেক্টর ডক্টর রণদীপ গুলেরিয়া আশ্বস্ত করছেন, এটি কোনও গুরুতর রো’গ নয়। কেন, সে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন এইমস কর্তা।

রণদীপ গুলেরিয়া বলেছেন, যারা করো’নাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন তাঁর ছুঁৎমার্গের শিকার। অনেকেই তাঁদের দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন। ফলে বাড়ছে আ’তঙ্ক। করো’না রোগী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ আ’ক্রান্ত সেরে উঠছেন। তাই মনে রাখতে হবে করো’না মোটেই খুব সাং’ঘাতিক কোনও রো’গ নয়। করো’না নিয়ে মানুষের মধ্যে যে অযথা ভীতি তৈরি হয়েছে, তা দূর করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। অযথা ভীতির কারণেই মৃ’তের সংখ্যা বাড়ছে ভারতে। জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা গেলে, অনেকেই ভয়ে হাসপাতালে যাচ্ছেন না। যার ফলে চিকিত্‍সার দেরি হওয়ায় মৃ’ত্যুর আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। মৃ’ত্যুহারও বাড়ছে।

করো’না আ’ক্রান্তদের ক্ষেত্রে অধিকাংশেরই খুব সামান্য চিকিত্‍সার প্রয়োজন হচ্ছে। মাত্র ১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অক্সিজেন থেরাপি ও ওষুধ দিতে হচ্ছে। ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে আক্রান্তের শরীরে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না। উপসর্গ না-থাকায়, অনেকেরই টেস্ট করা হয়নি। করো’না থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে আসা মানুষদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের দূরে সরিয়ে না রেখে তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখানো উচিত।

তাদের পরিবারকে কীভাবে সহায়তা করা যায়, সেদিকে আমাদের নজর দেওয়া প্রয়োজন। আরও বেশি সংখ্যক মানুষের পরীক্ষার করাতে হবে। তবেই করো’না মোকাবিলা সম্ভব। যারা করো’না থেকে সেরে উঠেছেন, তাঁদের প্লাজমা আরও অনেক রো’গীকে বাঁচিয়ে তুলতে পারে। অনেক করো’না জয়ীই স্বেচ্ছায় তাঁদের প্লাজমা চিকিৎসার জন্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এইমসের ডিরেক্টর।

সূত্র –