বলিউডের কিছু সেরা ও বিত’র্কিত চু’ম্বন দৃশ‍্য (ছবি ও ভিডিও)

0
157

শত বর্ষের হিন্দি সিনেমা কেবল মসলাদার নাচ-গান কিংবা ধুম-ধাড়াক্কা মারপিটের জন্যই নয়, পরিচিত এর আবেদনময় যৌ’নতার কারণেও। উপমহাদেশে যৌ’নতার ধারণাকে যখন সবসময়ই পরিয়ে রাখা হয়েছে রক্ষণশীলতার অবগুণ্ঠন, তখন ভারতীয় সিনেমার নির্মাতারাই প্রথা ভেঙে পর্দায় বারবার তুলে ধরেছেন নারী পুরুষের চিরন্তন দেহজ সম্পর্ক। এখনকার হিন্দি সিনেমায় চু’মুর দৃশ্য খুবই সাধারণ এক উপাদান হয়ে গেলেও, একসময় এই বিষয়টিই বড় বড় বিত’র্কের সৃষ্টি করেছে ভারত জুড়ে।

এরপরও আবেদনের পারদ চড়াতে নির্মাতারা বহুবার সিনেমায় তুলে ধরেছেন নায়ক নায়িকার ঠোঁটে ঠোঁট ছোঁয়ানোকে। সেরকমই কিছু পর্দা-চু’মুর মুহুর্ত, যেগুলো সাড়া ফেলেছিল ভারত জুড়ে তাই নিয়ে আজকের এই আয়োজন।

প্রপঞ্চ পাশ –

নির্বাক সিনেমা যুগে ভারতীয় সিনেমায় এখনকার জাঁক জমক অনুপস্থিত থাকলেও মুক্তি পেয়েছিল ভালো এবং সাহসী কিছু হিন্দি সিনেমা। জার্মান নির্মাতা ফ্রাঞ্জ ওস্তেনের হাত ধরেই ১৯২৯ সালে চু’ম্বনের মত একটি ‘ব্যাক্তিগত’ মূহুর্ত প্রথা ভেঙ্গে হয়ে পড়ে সেলুলয়েডের অংশ। ‘প্রপঞ্চ পাশ’ তাই এই নির্মাতার মাইলফলক সৃষ্টিকারী এক সিনেমা, হিন্দু ধর্মগ্রন্থ মহাভারত অবলম্বনে রয়েছে মোহনীয় এক রমনীকে নিজের করে নিতে দুই রাজার আপ্রান প্রচেষ্টার গল্প। এই সিনেমাতে সাহসী এক চু’ম্বন দৃশ্যে অভিনয় করে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছিলেন অভিনেত্রী সীতা দেবী এবং অভিনেতা চারু রায়।

হলিউডি জামানায় চু’ম্বন তখন থেকেই নিত্যনৈমিত্যিক এক ঘটনা। তবে ভারতীয় সিনেমার দর্শকদের জন্য পর্দায় নায়ক-নায়িকার চু’মু দীর্ঘদিন ধরেই ছিল ‘ট্যাবু’। স্বাভাবিকভাবেই বিত’র্ক সৃষ্টি হয়েছিল সিনেমাটিকে ঘিরে। এতো কিছুর পরও ‘ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউট’ – এর বিশ্বসেরা সিনেমা গুলোর তালিকায় সংরক্ষিত স্বল্পসংখ্যক ভারতীয় সিনেমার মধ্যে ‘প্রপঞ্চ পাশ’ সিনেমাটিও রয়েছে।

ববি –

সত্তরের দশকের শুরুতে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে তখনও প্রতিষ্ঠিত হননি প্রখ্যাত অভিনেতা ঋষি কাপুর। আর বলিউডের একসময়ের যৌ’নতার প্রতীক ডিম্পল কাপাডিয়ার নাম তো কেউ শোনেইনি। তবে দুজনের জন্যই যেন আশীর্বাদ হয়ে এলেন ঋষি কাপুরের বাবা কিংবদন্তী রাজ কাপুর। নির্মাণ করলেন ‘ববি’ সিনেমাটি, যেখানে প্রথমবারের মত ক্যারিয়ারে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করলেন ঋষি। আর তার বিপরীতে অভিষেক হলো মাত্র ১৬ বছর বয়সী ডিম্পলের।

ধনীর দুলাল আর হতদরিদ্র মেয়ের মধ্যকার প্রেম রসায়ন প্রথমবারের মত বলিউডি দর্শকদের মনে কেটে গেল দাগ, বিশেষ করে ঋষি-ডিম্পলের চমক লাগানো এক চু’ম্বন দৃশ্য ঝড় তুললো বলিউড পাড়ায়। ধনী আর গরিবের মাঝে প্রেমের গল্প- এই ফর্মুলার সিনেমা ছিল বলিউডে এটাই প্রথম, যা অনুসরণ করা হয়েছে অসংখ্য অসংখ্য সিনেমায়। ঋষি কাপুর আর ডিম্পল কাপাডিয়ার চু’ম্বন দৃশ্যটি ছিল শ্রেণী বৈষম্যের বাধা ভেঙ্গে দেওয়ারই এক সিনেম্যাটিক প্রয়াস।

সাত্যাম শিভাম সুন্দারাম –

প্রভাবশালী এক প্রকৌশলীর চোখে অপূর্ব হয়ে ধরা পড়ে গ্রামের হতদরিদ্র এক পুরোহিতের মেয়ে, এমনকি বিয়েও হয় তাদের মাঝে। কিন্তু রাজিভ এর চোখে প্রথমে ধরা পড়েনা রুপার ঝলসে যাওয়া মুখ। প্রতারিত বোধ করে রুপার কাছ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে দেয় রাজিভ, কিন্তু আকর্ষণ বোধ করতে শুরু করে ঘরের গৃহস্থালী কাজে নিয়োজিত কর্মীর উপর।

গৎবাঁধা প্রেমের গল্পে নতুন আঁচড় টেনে শশী কাপুর এবং জিনাত আমানকে নিয়ে রাজ কাপুর নির্মাণ করেন এমনই গল্পের অনবদ্য সিনেমা ‘সাত্যাম শিভাম সুন্দারাম’। অনেক বলিউডপ্রেমীর মতে, বলিউডি সিনেমার স্বর্ণযুগের দৃষ্টান্ত বয়ে বেড়ায় সিনেমাটিতে শশী-জিনাতের প্রেমভরা চু’ম্বন দৃশ্য। বলিউড সিনেমা ইতিহাসে এই জুটি চিরসবুজ হয়ে আছে বিশেষ এই চু’ম্বন দৃশ্যটির জন্যই।

ফায়ার –

প্রথাগত বলিউডি চাকচিক্যময় সিনেমার বদলে বাস্তববাদী সিনেমা বানিয়ে সিদ্ধহস্ত প্রখ্যাত নির্মাতা মিরা নায়ার। আর এজন্য বিতর্কের শিকারও কম হননি। তার নির্মিত ‘ফায়ার’ সিনেমায় রীতিমত ঝড় তুলেছিল ভারতসহ অন্যান্য দেশে, সমকামীতার মত ‘নিষি’দ্ধ’ এক যৌ’ন আকাঙ্খাকে তিনি প্রকাশ করেছে মধ্যবিত্ত এক ভারতীয় পরিবারের পারিবারিক জটিলতার খোলসে।

সম্পর্কে ভাবী-ননদ হওয়া সত্ত্বেও সিনেমাতে একে অপরের প্রতি আকর্ষণ বোধ করে রাধা ও সীতা। শাবানা আজমি এবং নন্দিতা দাস এই চরিত্র দুটিতে অভিনয়ের গুরুদায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাদের চরিত্রদ্বয়ের প্রেমের তীব্রতা প্রকাশ পেয়েছিল প্রগাঢ় এক চু’ম্বন দৃশ্যে, যা ছিল ভারতীয় মধ্যবিত্ত পুরুষশাসিত সমাজ ব্যাবস্থায় এক সজোর চপেটাঘাত। টরোন্টো ফিল্ম ফেস্টিভাল ছাড়াও স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালিতে ‘ফায়ার’ জিতে নিয়েছিলো মোট ১৪টি পুরস্কার, বিশেষ করে ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছিল শাবানা আজমি এবং নন্দিতা দাস জুটির অনবদ্য বিশ্বাসযোগ্য অভিনয়।

রাজা হিন্দুস্থানী –

‘রাজা হিন্দুস্থানী’ সিনেমাটি বলিউডে কারিশমা কাপুর আর আমির খানের ক্যারিয়ারে শক্ত এক ভিত গড়ে দিয়েছিলো তা বলার আর অপেক্ষা রাখেনা। এক ট্যাক্সিচালক আর শিল্পপতির মেয়ের মধ্যকার প্রগাঢ় প্রেম ধরা পড়েছিল ধার্মেশ দার্শানের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘রাজা হিন্দুস্থানি’তে। ভেজা বরষায় দ্বিধাগ্রস্থ রাজা আর উচ্ছ্বল আরতির আবেগঘন চু’ম্বন বলিউডি যেকোন সিনেমার জন্য ছিল এক ইতিহাস সৃষ্টিকারী দৃশ্য।

শুরুটা ধীর হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে চু’ম্বন হয়ে ওঠে আরও গাঢ় এবং কা’মনা মিশ্রিত। দীর্ঘদিন এই চুম্বন দৃশ্যটিই ছিল যেকোন বলিউডি সিনেমার দীর্ঘতম চু’ম্বন দৃশ্য। এমনকি ‘রক্ষণশীল’ ভারতীয় সেন্সর বোর্ড চু’ম্বন দৃশ্য থেকে এক সেকেন্ডও কর্তন না করে সিনেমায় প্রদর্শনের জন্য ‘উপযুক্ত’ দৃশ্য হিসেবে সার্টিফিকেট দিয়েছিল।

খোয়াইশ –

বলিউডে ‘বিত’র্কের রাণী’ উপাধি পেতে খুব বেশি একটা সময় নেননি অভিনেত্রী মল্লিকা শেরওয়াত। নিজের দ্বিতীয় সিনেমা ‘খোয়াইশ’ মুক্তির পরই পুরো ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে ছিল একটাই প্রশ্ন- কে এই মল্লিকা? কারণটা আর কিছুই নয়, সিনেমার খোলামেলা আর অ’ন্তর’ঙ্গ দৃশ্যে মল্লিকার সাহসি অভিনয়।

এই সিনেমায় সহ-অভিনেতা হিমাংশু মালিকের সঙ্গে একটি কিংবা দুটি নয়, তাক লাগানো ১৭টি চু’ম্বন দৃশ্যে অভিনয় করে মল্লিকা রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন সবখানে। দর্শকেরা সেবার সিনেমা দেখার জন্য নয়, শুধু চু’ম্বন দৃশ্যগুলো দেখার জন্যই নাকি গিয়েছিলেন হলে। এই সিনেমা দিয়েই মল্লিকা জানান দিয়েছিলেন, সাহসী চরিত্রে অভিনয় করতে ন্যুনতম সঙ্কোচ বোধ নেই তার।

জিসম –

একসময়ের হার্টথ্রব জুটি বিপাশা বসু এবং জন এব্রাহাম ছিলেন বলিউডের সকল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাই ‘জিসম’ সিনেমায় যখন এই দুই তারকা জুটির বাস্তব প্রেম রসায়ন দেখানো হয়, সে সিনেমা দেখতে উন্মুখ হয়ে ছিলেন ভারতের দর্শকরা। থ্রিলার ধর্মী সিনেমায় নিজেদের প্রেমের পরখ ভালোমতই করার সুযোগ পেয়েছিলেন জন-বিপাশা, আর তারই প্রতিরূপ ছিলো গভীর এক চু’ম্বন দৃশ্য।

সিনেমা ছাপিয়ে সেবার খবরের শিরোনাম হয়েছিল পর্দায় জন এব্রাহাম এবং বিপাশা বসুর প্রথম চু’ম্বন। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস! রিয়াল মাদ্রিদ ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বিপাশাকে এক অনুষ্ঠান শেষে আচমকা চু’মু খেয়ে বসলে সেটাই শেষ পেরেক ঠুকে দেয় বিপাসা-জন জুটির সম্পর্কে।

ব্ল্যাক –

বলিউডে এখন পর্যন্ত যে সিনেমাগুলো পেয়েছে ক্লাসিকের খেতাব, সাঞ্জায় লীলা ভানসালি নির্মিত ‘ব্ল্যাক’ তাদের অন্যতম। অপ্রকৃতস্থ মূক বধির প্রতিবন্ধী মিশেল আর তার শিক্ষক দেভরাজের মাঝে জটিল এক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে লেখা এই সিনেমার গল্প।

রানী মুখার্জি বলিউডে শান্ত, ধীর এক ইমেজের অভিনেত্রী হলেও এই সিনেমায় চ্যালেঞ্জিং এক চরিত্রে অভিনয় করে চোখ ধাঁধিয়ে দেন সবাইকে। আর সেখানে আমিতাভ বাচ্চানের সঙ্গে তার ছোট, কিন্তু অর্থবহ এক চু’ম্বন দৃশ্য সাড়া ফেলে দেয় সবখানে। এমনকি খোদ আমিতাভ বাচ্চানের জন্যও দৃশ্যটি ছিল বেশ সাহসী। সিনেমাটি মুক্তির পর এর চরিত্রের গভীরতা এবং গল্পের জন্য লাভ করেছে অসংখ্য আন্তর্জাতিক সাফল্য।

আশিক বানায়া আপনে –

 

বলিউডের সেরা চু’ম্বন দৃশ্যের তালিকায় ‘সিরিয়াস কি’সার’ ইমরান হাশমির কোন চু’ম্বন দৃশ্য থাকবেনা, তাও কি হয়? চু’ম্বনে মুন্সিয়ানা দেখানো এই অভিনেতার সবচেয়ে স্মরণীয় এবং একই সঙ্গে ‘বিতর্কিত’ চু’ম্বন দৃশ্যাবলী ছিল অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্তের সঙ্গে।

‘আশিক বানায়া আপনে’ সিনেমায় হিমেশ রেশামিয়ার গানের তালে তাদের দীর্ঘ যৌ’ন উদ্দী’পক দৃশ্য এবং চু’ম্বন অনেক ভারতীয়র কাছে বেশ অস্ব’স্তিকর হিসেবেও ধরা পড়েছিল বটে। এমনকি বলিউডি সিনেমায় চু’ম্বনের দৃশ্যায়ন নিয়ে তুমুল বিত’র্ক শুরু হয়ে পড়ে ইমরান-তনুশ্রীর গভীর চু’ম্বন দৃশ্যের ঘটনায়। তবে, এই সিনেমাই বলিউডে নিজের জায়গা করে নেওয়ার ভিত করে দিয়েছিল ইমরান হাশমিকে, প্রত্যেক বলিউডি সিনেমায় চু’ম্বন দৃশ্য রাখার প্রয়োজনীয়তাটা অনুভুত হতে থাকে মূলতঃ তার প্রভাব থেকেই।

ধুম থ্রি –

দীর্ঘ পাঁচবছর বের হতে চলেছে বহুল প্রতীক্ষিত ‘ধুম’ এর সিকুয়াল- ২০০৬ সালে ‘ধুম টু’ নিয়ে সিনেমার ভক্তদের ছিল অন্যরকমের মাতামাতি। প্রথমবারের মত একে অপরের বিপরীতে অভিনয় করছেন হৃত্বিক-ঐশ্বরিয়া, তাই তাদের রসায়ন দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন সবাই।

দর্শকদের চমকে দিয়ে এক গভীর চু’ম্বন দৃশ্যে অভিনয় করেন এই পর্দা জুটি। বিতর্ক ছড়াতে দেরি হয়নি খুব একটা। অল্প কিছুদিন পরেই ঐশ্বরিয়া গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছিলেন বাচ্চান পরিবারের ছেলে অভিনেতা আভিষেক কাপুরের সঙ্গে। শোনা গিয়েছিল, সিনেমার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হৃত্বিকের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার এরকম ঘণিষ্ঠ মূহুর্ত দেখে অস্বস্তিতে হল ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়ারই শাশুড়ি জয়া বাচ্চন। বলিউড সিনেমা ক্যারিয়ারে ঐশ্বরিয়ার প্রথম চু’ম্বন এমনই তাক লাগানো ছিল বটে।

ধুম টু –

ঐশ্বরিয়া রাই, হৃত্বিক রোশনের সাথে একটি স্মু’চ ভাগ করে দিলেন, ধুম ২-এ স্ক্রিনে।

দয়াবান –

অভিনেত্রী হিসেবে ততদিনে বলিউডে নাম করে ফেলেছেন মাধুরী দীক্ষিত। কিন্তু চু’ম্বন দৃশ্য? তাও কিনা মাঝবয়সী বিনোদ খান্নার সঙ্গে? ভারতীয় দর্শক এমন দৃশ্য দেখতে মোটেই অভ্যস্ত ছিল না। ফলে দুই অসমবয়সী তারকার চু’মু নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল।

দোস্তানা ও বম্বে টকিজ় –

এখানেও সেই এক গল্প। শুধু নারীর বদলে পুরুষ। তবে দোস্তানা বা বম্বে টকিজ়-কে ফায়ার-এর মতো ঝামেলা পোহাতে হয়নি।

নিঃশব্দ –

এই সিনেমায় তো বয়সের ব্যবধান আরো বেশি। নিঃশব্দ সিনেমায় জিয়া খান-অমিতাভ বচ্চন। মেয়ের বয়সী এই অভিনেত্রীর সঙ্গে বিগ বি-র চু’ম্বন দৃশ্য নিয়ে বেশ তোলপাড় চলেছিল সমালোচক মহলে। প্রশ্ন উঠেছিল, মেয়ের বয়সী দুই নায়িকাকে অমিতাভ চু’মু খেলেন কী করে?

রাম লীলা –

ভানসালির রাম-লীলা ছবিতে রণভীর সিং এবং দীপিকা পাড়ুকোনর মধ্যে এখন কেউ কীভাবে চাঞ্চল্যকর চু’ম্বনের দৃশ্যটি ভুলতে পারে।

যাব তাক হ্যায় জান –

শাহরুখ খান বলিউডে অভিনয় করছেন বহুদিন। কিন্তু চু’মু খাননি কখনো। ঠিক চু’মু খাননি বললে ভুল হবে। গালে, হাতে, মাথায়… কিন্তু ঠোঁটে? সেখান থেকে দূরেই ছিলেন বলিউড বাদশা।

কিন্তু যাব তাক হ্যায় জান সিনেমায় ক্যাটরিনার সঙ্গে সেটি সেরেই ফেললেন তিনি। শোনা যায়, পরিচালক যশ চোপড়ার অনুরোধেই নাকি কিসিং সিনটি করতে রাজি হয়েছিলেন শাহরুখ।

কার্মা –

শোনা যায় হিমাংশু রায়ের সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই দেবিকা বসবাস শুরু করেন। মানে বর্তমানে যাকে লিভ ইন বলে আর কি। আর তখন থেকেই অনস্ক্রীন যৌ’ন উত্তে’জক সিনেও দেবিকা খুব একটা অসুবিধা অনুভব করতেন না। আর সে কারনেই ১৯৩৩ সালের কার্মা ছবিতে হিমাংশু রায়কে অনস্ক্রিন কিস করতে দেবিকার অসুবিধা হয়নি।

হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্রটি ১৯৩৩ সালের মে মাসে লন্ডনে প্রথম দেখানো হয়। উইন্ডসর এ রয়েল পরিবারের জন্য একটি বিশেষ পরিবেশনার পাশাপাশি, এই ছবিটি সমগ্র ইউরোপে সমাদৃত হয়।

যাব উই মিট –

ইমতিয়াজ আলীর ছবি জব উই মেটে শাহিদ কাপুর এবং কারিনা কাপুর একটি আবেগময় চু’ম্বনের দৃশ্য দিয়েছেন।

ইয়ে জাওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি –

শাহিদ ও কারিনার মতো, ব্রেকআপের পরে রণবীর কাপুর এবং দীপিকাও ইয়ে জাওয়ানি হায় দিওয়ানিতে একটি চু’ম্বন দৃশ্য দিয়েছেন।

মার্ডার –

চু’ম্বনের দৃশ্যের কথা বলতে গেলে ইমরান হাশমি বাদশাহ, ইমরানের প্রথম চু’ম্বনের দৃশ্যটি ছিল মল্লিকা শেরাওয়তের সাথে এবং এই চু’ম্বনের দৃশ্যটি এখনও ইমরান হাশমীর নিজের প্রিয় চু’ম্বনের দৃশ্য।

জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা –

ক্যাটরিনা কাইফের আর একটি আবেগময় চু’ম্বনের দৃশ্য এবং এবার ঋত্বিক রোশনের সাথে জোয়া আক্তারের চলচ্চিত্র জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা।