বাংলা সিনেমায় উষ্ণতা বাড়িয়েছে যেসব চু’ম্বন দৃশ‍্য

0
113

বলিউডের মতো কলকাতার বাংলা সিনেমাও পিছিয়ে নেই চু’মুর দৃশ্য থেকে। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তিপ্রাপ্ত কিছু সিনেমা দেখলে এ তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে দর্শকরা পরিস্কার ধারণা পাবেন। তবে বলিউডের ছবির মতো অতটা না হলেও আজকাল বেশ কিছু কমার্শিয়াল ছবিতে ঢুকে পড়েছে চু’ম্বন দৃশ্য কিংবা অ’ন্তর’ঙ্গ দৃশ্য। মুক্তিপ্রাপ্ত এ সিনেমাগুলো যথেষ্ঠ বিতর্কের মুখোমুখিও হয়েছে। আবার চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের প্রশংসাও কুড়িয়েছে কোনো কোনো সিনেমা।

হিন্দি ছবির সাথে তালমিলিয়ে পিছিয়ে নেই বাংলা সিনেমাও। এখন অব্দি মুক্তিপ্রাপ্ত কিছু বাংলা ছবিতে দেখানো হয়েছে সেরকমই কিছু চু’ম্বন দৃশ্যের দিকে চোখ বুলিয়ে আসা যাক।

ঊনিশে এপ্রিল থেকে ক্রান্তি –

টালিউডে শুরুটা করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। তার উনিশে এপ্রিল সিনেমায়। কিন্তু তাকে পূর্ণতা দেন রিঙ্গো। ক্রান্তি সিনেমায় লিপলক করেন জিৎ-স্বস্তিকা। সেই শুরু। তারপর থেকে টালিউডেও চু’ম্বন দৃশ্যের ছড়াছড়ি।

আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ডস –

বাংলা আরবান সিনেমায় আধুনিক পোশাক আশাক কিংবা চু’মু খাওয়া এ সবে এগিয়ে রয়েছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। মৈনাক ভৌমিক পরিচালিত আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ডস চলচ্চিত্রে তিনি আর অনুব্রত একে অন্যকে জড়িয়ে যেভাবে সপাটে চু’মু খেয়েছেন তাতে রীতিমতো শিহরিত হয়ে উঠেছিলেন দর্শক।

বাস্তু-শাপ –

কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত এই ছবি মুক্তি পেয়েছে। ছবির গল্প পাঁচজন ব্যক্তিকে ঘিরে যারা ফেং শুই এবং বাস্তুশাস্ত্রে বিশ্বাস করেন। এই ছবিতে পরমব্রত এবং রাইমা সেনের একটি ঘনি’ষ্ঠ চু’ম্বন দৃশ্য আছে।

ও হেনরি –

এই সময়ের নায়িকাদের সঙ্গে সৌন্দর্যে কিংবা যৌ’ন আবেদনে পাল্লা দিচ্ছেন একমাত্র সিনিয়র অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। ‘ও হেনরি’ ছবিতে তিনি ও গায়ক-অভিনেতা দিব্যেন্দু যেভাবে অ’ন্তর’ঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন তা নিঃসন্দেহে চরম রোমাঞ্চকর। যদিও সিনেমাটি হিটের মুখ দেখতে পারেনি।

এবার শবর –

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের গল্প অবলম্বনে এই ছবি তৈরি হয়। অরিন্দম শীল পরিচালিত এই ছবি মুক্তি পেয়েছিল। শবরের ভূমিকায় আবীর কে ছবি শেষ হওয়ার আগে দেখা যায় পায়েল সরকারকে চু’ম্বন করতে। যদিও খুব কম সময়ের জন্য এই চু’ম্বন দৃশ্য দেখানো হয়েছে‚ কিন্তু ওই কয়েক সেকেন্ডেই অনেক কিছু ব্যক্ত করেছ্ন পরিচালক।

টেক ওয়ান –

মৈনাক ভৌমিকের সঙ্গে এটি স্বস্তিকার তৃতীয় সিনেমা। সাহসিকতার চরম নিদর্শন তুলে ধরেছেন এ নায়িকা। এক নায়িকার জীবন অবলম্বনে তৈরি এ সিনেমাটি শুরুর প্রথম দৃশ্যেই স্বস্তিকা ও সহঅভিনেতার ভ’য়ঙ্ক’র উত্তে’জক দৃশ্যে লোকজন চমকে গিয়েছিল। গালে হাত দিয়ে ভাবতে আরও কিছুটা সময় নিয়েছিল তারা, বাংলা সিনেমায় এমনটাও হয়!

ফ্যামিলি অ্যালবাম –

এই ছবির মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন স্বস্তিকা মুখার্জি এবং পাওলি দাম। এই দুজনকে সমকা’মীর চরিত্রে দেখা গেছে। তাই বুঝতেই পারছেন দুজনের মধ্যে বেশ কিছু চু’ম্বন এবং ঘনি’ষ্ঠ দৃশ্য আছে। মৈনাক ভৌমিক পরিচালিত এই ছবিতে দুই অভিনেত্রীই সমান দক্ষতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন।

মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর –

মৈনাক ভৌমিকের আরও একটি সিনেমা ‘মাছ মিষ্টি অ্যান্ড মোর’। এখানে অবশ্য স্বস্তিকা নয়। অ’ন্তর’ঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও সহঅভিনেত্রী। যদিও এটি উপরে উল্লেখিত সিনেমা গুলোর মতো আদৌ ততটা উ’ষ্ণ দৃশ্য নয়।

হাওয়া বদল –

আরশিনগর –

দেব প্রথমে এই ছবিতে চু’ম্বন দৃশ্য করতে একটু ইতঃস্তত করেছিলেন। পরে অবশ্য পরিচালক অপর্ণা সেন ওঁকে থ্রেট করেন যে উনি ঋতিকা কে চু’মু খাবেন এবং দেব কে দেখাবেন কীভাবে চু’মু খেতে হয়‚ তখন উনি রাজি হন। পরে অবশ্য দেব খুব ভালোভাবেই এই দৃশ্য করে ফেলেন।

টান –

 

ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, দেবলীনা দত্ত দুজনেই এই ছবিতে একাধিক দুর্দান্ত দুঃসাহসিক দৃশ্যে অভিনয় করেছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঋতুপর্ণাকে ছাপিয়ে গেছেন দেবলীনা। কিন্তু রাজেশ শর্মার সঙ্গে ঋতুপর্ণার অর্ধ যৌ’ন দৃশ্যটি নিয়ে যথেষ্ট সমালোচনা হয়েছে।

নির্বাক –

সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত এই ছবি মুক্তি পায়। চারটে ছোট গল্প নিয়ে এই ছবি তৈরি হয়। কিন্তু চারটে গল্পতেই দেখা যায় সুস্মিতা সেন কে। প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরীর এটা প্রথম বাংলা ছবি। এই ছবিতে ওঁর এবং যীশু সেনগুপ্তের একটা চু’ম্বন দৃশ্য আছে। এই ছবির জন্য বেশ প্রশংসিত হয়েছেন উনি।

দত্ত ভার্সেস দত্ত –

অঞ্জন দত্ত পরিচালিত এবং অভিনীত এই ছবিতে তারই সঙ্গে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রীতা কয়রাল এবং শঙ্কর চক্রবর্তীর দুটি দৃশ্য উত্তেজক বলেই বিবেচিত হয়েছে। ছবিটি মোটের ওপর বিরাট বক্স অফিস সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও এই দৃশ্য দুটির কথা বাংলা সিনেমার দর্শক মনে রেখেছে।

রাজকাহিনী –

সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবির গল্প একটা গণিকালয় কে ঘিরে। ছবিতে অভিনেত্রী সোহিনী সরকার এবং সায়নী ঘোষ কে স’মকা’মীর চরিত্রে দেখানো হয়েছে। এই দুজনের একটি ঘনি’ষ্ঠ চু’ম্বন দৃশ্য আছে। এছাড়াও বেগম জান (ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত) এবং মাস্টার (আবীর চট্টোপাধ্যায়) এর মধ্যে একটা চু’ম্বন দৃশ্য আছে। এছাড়াও বাংলাদেশী অভিনেত্রী জয়া হাসান এবং রুদ্রনীলের মধ্যেও একটা চু’ম্বন দৃশ্য ছিল এই ছবিতে।

তবে তাই হোক –

২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সৌগত রায় বর্মন পরিচালিত এই সিনেমায় স্বস্তিকার প্রেমিকরূপী সমদর্শীর সঙ্গে বেশ কিছু উত্তে’জক দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখা যায়।

বিবর –

সুব্রত সেন পরিচালিত এই সিনেমায় তন্বিষ্ঠা চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রৎ দত্তের ঘ’নিষ্ট দৃশ্যটি সেই সময়ের বাংলা ছবির জগতে বিশেষ আলোড়ন তুলেছিল।

চিত্রাঙ্গদা –

নারী পুরুষের মধ্যে কিসিং সিন হলে আপত্তি নেই। এ তো নিতান্ত সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু সমলি’ঙ্গের দুই নারী বা পুরুষ যখন একে অপরের ঠোঁটে ঠোঁট রাখে, তখনই সমস্যা। এটাই ঘটেছিল চিত্রাঙ্গদা-য়। ঋতুপর্ণ ঘোষ আর যিশু সেনগুপ্তের সেই দৃশ্য ২০১২ সালে মানতে পারেনি বাঙালি।

উইন্ডো কানেকশন –

অসম প্রেম নিয়ে তৈরি এই সিনেমায় দেবযান ও তনুশ্রীর একটি ঘনি’ষ্ঠ দৃশ্য আছে। যা দেবযানের চরিত্রটি ক্ল্পনা করছে। সিনেমা হিসেবে ফ্লপ। কিন্তু দৃশ্যগত ভাবে কিছুটা উতরে আছে।

কাদের কুলের বউ –

পরমা –

অপর্ণা সেন পরিচালিত এই ছবিটি ইদানীংকালের ছবির তালিকায় না এলেও ঘনি’ষ্ঠ দৃশ্যে এর চেয়ে গভীর এবং নিবিঢ় একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় চু’মু আর কোথাও দেখা যায়নি।

বাপি বাড়ি যা –

বাপি বাড়ি একটি রোমান্টিক কমেডি চলচ্চিত্র যার পরিচালক সুদেষ্ণা রায় এবং অভিজিৎ গুহ। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অর্জুন চক্রবর্তী, মিমি চক্রবর্তী, শালমি বর্মন , অনিন্দ্য চ্যাটার্জি, তিস্তা দত্ত। চলচ্চিত্রটি তরুণদের মনে করে তৈরি করে হয়েছিল।

সূত্র – ইন্টারনেট