বলিউড সিনেমার কিছু সেরা কু’রু’চিপূর্ণ অ’শ্লীল গান ও নাচ!

0
915

গানের মাধুর্য ততক্ষণ পাওয়া যায় না যতক্ষণ তা তার শব্দ মধুর হয়। কিন্তু বলিউডে আজকাল হানি সিং জমানায় যে ধরণের সব গান তৈরি হচ্ছে, তা তো পরিবার-পরিজনের সঙ্গে একসঙ্গে বসে দেখা শোনার উপায় নেই। নয় অপশব্দের প্রয়োগ আর নয়তো গানের কথার দুধরনের মানে বের করে দর্শকদের যৌ’ন সুড়সুড়ি দেওয়ার প্রচেষ্টা। তবে এ ধরণের গান যে শুধু সাম্প্রতিক কালেই হচ্ছে তা নয়।

বলিউডে অনেক আগে থেকেই এই ধরণের দ্ব্যার্থক শব্দের ব্যবহারে গান তৈরির ট্রেন্ড তৈরি হয়েছিল। আর এই ধরণের কু’রু’চিপূর্ণ ও অ’শ্লীল গানের জন্য বহু সঙ্গীত নির্মাতাকেই আইনে নোটিশ হজম করতে হয়েছিল।

আসুন দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু গান যার শব্দ বা অর্থ কু’রু’চিপূর্ণ ও অ’শ্লীল

হিম্মতওয়ালা (বাম্প পে লাথ) –

গানের লাইন হচ্ছে ‘মার দে বাম পে লাথ’… এর পর আর কি-ই বা বলার থাকতে পারে।

খলনায়ক (চোলি কে পিছে ক্যায়া হ্যায়) –

মাধুরীর লাস্য হয়তো গানের কথা হারিয়ে গিয়েছে, কিন্তু বলিউডের সেরা ব্লকবাস্টার গানের মধ্যে এই গানটি অন্যতম। কিন্তু গানের কথা অ’শ্লীল, ‘চোলি কে পিছে ক্যায়া হ্যায়, চুনরি কে নিচে ক্যায়া হ্যায়।’

ইয়ার গাদ্দার (লড়কা দিওয়ানি হ্যায়) –

লড়কা দিওয়ানি হ্যায় ইয়ে করতি হ্যায় উই উই উই উই…ম্যায় লায়া হু চুহা আপনা, কাহা হ্যায় তেরি চুহি…. এই পুরো গানটি দ্ব্যর্থক ভাষায় তৈরি হয়েছে। নাচও তেমনই অ’শ্লীল।

রোজা (রুকুমনি রুকুমণি) –

এই গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি গান। কিন্তু এই গানের মধ্যে দিয়ে বিয়ের পরের ঘটনা যেভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে। এবং তার যা বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তা কু’রু’চিপূর্ণ।

রাজাবাবু (সারকাইলো খাটিয়া) –

বলিউডের অ’শ্লীল অথচ জনপ্রিয় গানের মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে এই গানটি। গানটির কথার সঙ্গে নাচের ভঙ্গিও অত্যন্ত কু’রু’চিকর।

আন্দাজ (খাড়া হ্যায়, খাড়া হ্যায়) –

“খাড়া হ্যায়, খাড়া হ্যায়, খাড়া হ্যায় দর পর তেরে আশিক খাড়া হ্যায়। খোল খোল খোল…..দরওয়াজা খোল….”

দালাল (গুটুর গুটির) –

‘আরে চড় গ্যায়া উপর রে, আটারিয়া পে লোটন কবুতর রে, গুটুর গুটুর, পঞ্ছি দিওয়ানা চুন কর দানা উড় গয়া ফুর ফুর রে….’

কাঞ্চি (কম্বল কে নিচে ক্যায়া হ্যায়) –

‘দো দিল মিল রহে হ্যা মগর (কম্বল কে নিচে), আরে নায়ক নেহি খলনায়ক হু ম্যায় (কম্বল কে নিচে), আগ যব লাগ যাতি হ্যায় (কম্বল কে নিচে)….’

শুটআউট অ্যাট বডালা (লায়লা তেরি লুট লেগি) –

প্রথমে গানটি তৈরি হয়েছিল, ‘লায়লা তেরি লেলেগি তু লিখ কে লেলে’…কিন্তু সেন্সর বোর্ডের নির্দেশে গানের কথা বদলে করা হয় ‘লায়লা তেরি লুট লেগি তু লিখ কে লেলে’

বিট্টু বস (বিট্টু সবকি লেগা) –

‘চাচি সিধি বিঠা কে, মামি উল্টি ঘুমাকে…উতারেঙ্গে সবকি, সবকি খিচেঙ্গে, অর একবার শুরু হুয়া তো সুবহা হি রুকেঙ্গে।’ নায়ক যদিও ছবি তোলার কথা বলছেন। কিন্তু গানটি এমন ভাবেই তৈরি করা হয়েছে যাতে মনে অন্য চিন্তা আসে গানটি শুনে।

বুলেট রাজা (ডোন্ট টাচ মাই বডি) –

‘হায় ডোন্ট টাচ মাই মাই বডি ও মোরে সইয়া.. তেরা জলা দুঙ্গি গাদ্দা অউর তাকিয়া…ডোন্ট চাট মাই বডি।’

ডেলহি বেল্লি (ভাগ ডি কে বোস) –

গানটি জনপ্রিয় হয়েছিল ঠিকই কিন্তু গানের কথা মন দিয়ে শুনেছেন কি? ‘ড্যাডি মুঝসে বোলা তু গলতি হ্যায় মেরি। তুঝপে জিন্দেগানি গিল্টি হ্যায় মেরি। সাবুন কি সকল মে বেটা তু তো নিকলা কেবল ঝাঁক… ভাগ ডিকে বোস, ডিকে বোস, ডিকে বোস..’

মেঘা (বটন দাবা দেঙ্গে) –

গানের কথায় বলা হচ্ছে, ‘লড়কিও লড়কিও লড়কিও, হামসে না উলঝো, বটন দাবা দেঙ্গে।’

বস (পার্টি অল নাইট) –

গানের কথায় বলা হয়েছে, ‘গা$ মে হ্যায় দম তো বনধ করওয়ালো’।

জিলা গাজিয়াবাদ (গাজিয়াবাদ কী রানি) –

গানের কথা, ‘আপনে বাপ কা না সমঝো মাল’।

সূত্র – oneindia